বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ছেংগারচরে জাতীয় শোক দিবসে আলোচনা সভা ও দোয়া

বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালি জাতি তথা বিশ্বের অবিসংবাদিত নেতা : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৩, ২:৫৩ পিএম
বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাঙালি জাতি তথা বিশ্বের অবিসংবাদিত নেতা : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে মতলব উত্তরের ছেংগারচর পৌরসভায় আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আলহাজ্ব ড. শামসুল আলম।

ছেংগারচর পৌরসভার উদ্যােগে আয়োজিত ১২ আগস্ট শনিবার দুপুরে ছেংগারচর পৌর অডিটরিয়ামে ছেংগারচর পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র আলহাজ্ব আরিফ উল্যাহ সরকারের সভাপতিত্বে এবং পৌর কাউন্সিলর শাহজাহান মোল্লার সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর-২ নির্বাচনী আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অ্যাড. নুরুল আমিন রুহুল।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ভারপ্রাপ্ত)আল এমরান খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আইয়ুব আলী গাজী, ছেংগারচর পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম মাস্টার, উপজেলা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক রেফায়েত উল্যাহ দর্জি, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক নুরুন্নবী খান, ছেংগারচর পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মো. রাজিব মিয়া।

এসময় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, বাঙালি জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের মানুষের জন্য তাঁর জীবনের অর্ধেক সময় কারাভোগ করেছেন। তিনি সব সময় সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করতেন। তিনি ছিলেন বাঙালি জাতি তথা বিশ্বের অবিসংবাদিত নেতা।

Model Hospital

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মানুষের মৌলিক অধিকার খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে মানুষের অভাব- অনটন, দারিদ্র্য ও বেকারত্ব দূরীকরণ এবং উন্নত জীবনের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু ছিলেন বদ্ধপরিকর ও অগ্রগামী ব্যক্তিত্ব। তিনি একটি ধ্বংসস্তুপ থেকে প্রত্যেকটি সেক্টরের উন্নয়ন সাধনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি ফুল বাগানে রূপান্তর করতে চেয়েছিলেন। জীবনের পুরোটা সময় এদশের মানুষের মঙ্গলের জন্য ব্যয় করা বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন ‘সোনার বাংলা’ গড়তে।

বিশেষ অতিথি নুরুল আমিন রুহুল এমপি তার বক্তব্যে বলেন, আজ বঙ্গবন্ধু নেই। কিন্তু তাঁর আদর্শ ও স্বপ্ন বেঁচে আছে। বাংলাদেশ থেমে নেই, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে তাঁরই দেখানো পথে উন্নয়নের পথে অদম্য গতিতে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ ও লালন করে দেশকে ২০৪১সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি তরুণ ও যুব সমাজের প্রতি আহবান জানান।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।