বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

অভিযানের খবরে চাঁদপুর বড় স্টেশনে ডাবের দাম ৬০ টাকা

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৩, ৪:২১ পিএম
অভিযানের খবরে চাঁদপুর বড় স্টেশনে ডাবের দাম ৬০ টাকা
চাঁদপুরে হঠাৎ করে অস্থির হয়ে উঠা ডাবের বাজারে মনিটরিং জোরদার করেছে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। গত শনিবার তিন ডাব ব্যবসায়ীকে ২ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। আর ওই অভিযানের খবরেই ১৫০ টাকার ডাব চাঁদপুর শহরে সাইজ ভেদে ৬০-৯০ টাকায় বিক্রি শুরু করে দেয় ব্যবসায়ীরা।
বুধবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নুর হোসেন রুবেলের নেতৃত্বে চাঁদপুর বড় স্টেশন তিন নদীর মোহনা এলাকায় গড়ে ওঠা অস্থায়ী ডাবের দোকানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। ভোক্তা অধিদপ্তর কর্মকর্তার উপস্থিতি টের পেয়ে সাথে সাথেই ডাবের দাম ৬০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা যায় ব্যবসায়ীকে। কম দামে ডাব বিক্রি করতে দেখে দোকানের সামনে ভিড় লেগে যায় উপস্থিত ক্রেতাদের। মুহুর্তেই শেষ হয়ে যায় ব্যবসায়ীর সকল ডাব।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের নির্দশনা মোতাবেক শহরের বড় স্টেশন মোলহেড, বাস স্ট্যান্ড, কোর্ট প্রাঙ্গন, চেয়ারম্যান ঘাট, কালী বাড়ি, জোড় পুকুরপাড় ও হাসপাতালের সামনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ডাব বিক্রেতাদেরকে নিজেদের ইচ্ছেমত দামে ডাব বিক্রি করতে দেখা যায়। সর্বনিম্ন ৯০ টাকা থেকে শুরু করে ১৩০ টাকা পর্যন্ত ডাব বিক্রি করতে দেখা গেছে। ডাব কেনার ক্রয়মূল্য এক জন এক রেট বলে, এবং ক্রয় ভাউচার দেখাতে পারেনি কেউ। অভিযানে পরিলক্ষিত হয়েছে যে, ৫০-৭০ টাকায় ক্রয় করে ৯০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অভিযানে অযৌক্তিক, অন্যায্য ও অতিরিক্ত দামে ডাব বিক্রি এবং ক্রয় ভাউচার দেখাতে না পারায় বড় স্টেশন মোলহেড এলাকার চাঁদ মিয়ার ডাবের দোকানকে ৩ হাজার টাকা, বাচ্চু মাঝির ডাবের দোকানকে ৩ হাজার টাকা এবং জোড় পুকুর পাড়ের চান্দু মিয়ার ডাবের দোকানকে ৩ হাজার টাকাসহ সর্বমোট ৩টি প্রতিষ্ঠানকে ৯ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করেন চাঁদপুর জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নুর হোসেন রুবেল।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নুর হোসেন রুবেল বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ডাবের বাজারটাকে অস্থির করে রেখেছে। বাজারের সর্বক্ষেত্রেই একই অবস্থা। সেই সাথে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসকদের দেয়া পরামর্শে ডাব খুবই উপকারী। তাই ডাবের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় অসাধু ব্যবসায়ীরা এর দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। প্রতিটি ডাব ব্যবসায়ীদের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ক্রয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ডাব বিক্রির নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি। এছাড়াও অন্যান্য ডাব ব্যবসায়ীকে সতর্ক করা হয়েছে। সবাইকে ক্রয় রশিদ সংগ্রহ করে ডাব বিক্রি করতে বলা হয়েছে।
এসময় স্যানেটারি ইন্সপেক্টর নীনা আক্তার ও জেলা ক্যাবের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব সরকার উপস্থিত ছিলেন। এতে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।