বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় বসত ঘরে আসবাবপত্র রহস্যজনক চুরি, থানায় অভিযোগ

কচুয়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৩, ৭:২২ পিএম
কচুয়ায় বসত ঘরে আসবাবপত্র রহস্যজনক চুরি, থানায় অভিযোগ

কচুয়া উপজেলার গোহট দক্ষিণ ইউনিয়নের বলরা গ্রামে রহস্যজনক ভাবে বসত ঘরের আসবাবপত্র চুরি ঘটনা ঘটেছে।

এ ঘটনায় বোরহান উদ্দিনের ছেলে আরমান বাঁধন বাদী হয়ে গতকাল বুধবার দুপুরে কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, আরমান তার পরিবার নিয়ে ব্যবসার সুবাধে কুমিল্লা বসবাস করে আসছে। গত ১৫ আগস্ট বাড়ীর গৃহের জালানা, টিনসেড বিল্ডিং এর দরজা বন্ধ করে কুমিল্লা চলে যায়। পরবর্তীতে ২৫ আগস্ট শুক্রবার দুপুরে বাড়ীতে এসে দেখে গৃহের ওই দরজা নতুন তালা দেখতে পায়। তালা ভেঙ্গে ঘরে ডুকে দেখে ফ্রিজ,কাঠের আলমারী,পানির মটর,গ্যাস সিলিন্ডার ও চুলা, ৫টি সিলিং ফ্যানসহ ঘরের বিভিন্ন মূল্য আসবাবপত্র চুরি করে কেবা কাহারা নিয়ে যায়।

বাদী আরমানের বাবা বোরহান উদ্দিন জানান, শুক্রবার বাড়ীতে এসে নতুন তালা ভেঙ্গে ডুকে ঘরের সব এলোমেলো দেখতে পাই।

Model Hospital

ঘরের সকল আসবাবপত্রসহ প্রয়োজনী জিনিসপত্র কে বা কাহারা চুরি করে নিয়ে যায়। পরে বাড়ীর পাশের মসজিদে আমার বসত ঘরের ৫টি সিলিং ফ্যান সাঁটানো দেখতে পাই। মসজিদের পরিচালনা কমিটি ও মুসল্লী সিলিং ফ্যানের বিষয়টি বললে তারা আমাকে বলেন, রাতের অন্ধকারে কে কাহারা ফ্যান গুলো সাঁটিয়েছে তা সঠিক উত্তর দিতে পারেনি।

তিনি আরো জানান, মসজিদের পাশে মাছের কয়েটি খামার রয়েছে। খামার গুলো দেখাশুনা করেন ওই গ্রামের মৃত সুলতানের ছেলে মানিক। চুরির ঘটনা কারা ঘটিয়েছে মানিক বিষয়টি যেনেও মুখ খোলেনি।

মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্য ও মুসল্লী মো.সিদ্দিকুর রহমান জানান, মুসজিদের পুরাতন ৩টি সিলিং ফ্যান খুলে রাতের অন্ধকারে কেবা কাহারা ৫টি ফ্যান সাঁটিয়ে দেয়। এ বিষয়ে মসজিদের অন্যান্য মুসল্লীদের কাছ থেকে শুনতে পাই সুজন ও জিলানী নামে দুই যুবক রাতের অন্ধকারে এ ফ্যান গুলো সাঁটিয়ে পুরতন ৩টি খুলে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল জানান, বলরা চুরির বিষয়টি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।