বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

আদালতের রায়

উচ্ছেদের মাধ্যমে ৭ বছর পর শাহরাস্তির শফিউল্লাহ ফিরে পেল নিজ সম্পত্তি

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৩, ৯:৫০ পিএম
উচ্ছেদের মাধ্যমে ৭ বছর পর শাহরাস্তির শফিউল্লাহ ফিরে পেল নিজ সম্পত্তি
শাহরাস্তিতে চাঁদপুর আদালতের ভূমি সংক্রান্ত ডিক্রি তামিল করল শাহরাস্তি উপজেলা প্রশাসনের সহকারি কমিশনার ( ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা চৌধুরী।
বিগত ৭ বছরের একটি মামলা পরিচালনা করে মঙ্গলবার বিকেলে পৌর শহরের ঠাকুর বাজার এলাকার বাসিন্দা শফিউল্লাহ মজুমদার।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে ভূমির মালিকানা বুঝে পান।
মামলার নথিপত্র ও সংশ্লিষ্ট ভূমির মালিক সূত্র জানায়, স্থানীয় শ্রী বজ্রলাল ভট্টাচার্য থেকে ১৩/০৯/১৯৮০ সালে একই এলাকার শেখ শহীদুল হক  ও শহীদুল্লাহ মজুমদার একটি যৌথ দলিলে ৬০শতাংশ ভুমি ক্রয়  করেন। ওই ভূমি  এ্যানিমী থাকায় নিজ নামের ৩০ শতাংশ ভূমি  ২০০৪ সালে নিজ নামে  অবমুক্তি করে নেন তিনি। বিবাদমান ভুমিটি উপজেলার পৌর শহরে নিজ মেহের মৌজার ২৫২৭নং খতিয়ানে ৬০১২ দাগে ৩০ শতক অন্দরে ২.৭৫ শতক জায়গা।
ঠাকুরবাজার সংলগ্ন এলাকার ভূমির দারিদার হয়ে দখল করেন মৃত শহিদুল হকের পুত্র মনিরুজ্জামান গং। ২০১৬ সালে উক্ত ভুমিটি জবরদখল হয়েছে মর্মে ভূমির মূল মালিক দাবিদার মোঃ শফিউল্লাহ মজুমদার  চাঁদপুর আদালতে ৫৩/১৬ নং একটি মামলা রুজু করেন।
ওই মামলায় বিবাদীগণের দলিল ব্যতীত অন্য কোন কাগজপত্র না থাকায় বিগত ৩১.০৩.২০১৯ সালে   আদালত উক্ত মামলাটি বাদীর পক্ষে রায় ঘোষনা করেন।
এ রায়ের বিরুদ্ধে বিবাদী  মনিরুজ্জামান গং উচ্চ আদালতে ৮৭/২০১৯ নং দেওয়ানী আপিল করেন।  বিজ্ঞ  আদালত মনিরুজ্জামান গং এর স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্রাদি না থাকায় এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করে আবার আদালত বাদী সফিউল্লাহ মজুমদারের পক্ষে ২২.০১.২০২৩ তারিখে  নিম্ন আদালতের ওই আদেশ বহাল রাখেন। সফিউল্লাহ্ উচ্চ আদালতের এ রায় পেয়ে  তিনি দেওয়ানী ডিক্রিদার  হয়ে ০২/২০২৩ সালে  একটি উচ্ছেদ মামলা দায়ের করেন।
উক্ত মামলায় বিজ্ঞ আদালত ২৯.০৮.২৩ তারিখে  উচ্ছেদ মূলে বাদী  সফিউল্লাহ মুজুমদারকে জায়গা বুঝিয়ে দেয়ার হুকুম জারি করেন এবং উচ্ছেদের মাধ্যমে বাদীকে বুঝিয়ে দেয়া হয়। ওই উচ্ছেদ  অভিযানে  শাহরাস্তি উপজেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা চৌধুরী, জেলা আদালতের নায়েবে নাজির গাফফার খান নাদিম, সিভিল কোর্ট কমিশনার মোঃ নুরে আলম গাজী লিটন, শাহরাস্তি থানা প্রশাসনের পক্ষে এসআই আবু তাহের ও সঙ্গীয় ফোর্স এ কাজে সহযোগিতা করেন।
উল্লেখ্য, ওই বিরোধপূর্ণ মোকদ্দমার সম্পত্তি  দেওয়ানী কার্যবিধি  আইনের বিধানে  আদালতকর্তৃক  ডিক্রি চূড়ান্ত নিষ্পত্তি রীতিসিদ্ধভাবে অর্থাৎ  আনুষ্ঠানিকভাবে বাদী পক্ষের  অধিকার চূড়ান্তভাবে  নির্ধারিত হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital