বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

পরকীয়া প্রেমিককে বিয়ের চাপ দেয়ায় প্রেমিকাকে হত্যা : পিবিআইর হাতে আটক চাঁদপুরের ২ আসামী

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ৯:১৭ পিএম
পরকীয়া প্রেমিককে বিয়ের চাপ দেয়ায় প্রেমিকাকে হত্যা : পিবিআইর হাতে আটক চাঁদপুরের ২ আসামী
চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদীতে চাঞ্চল্যকর গোপালগঞ্জের গৃহবধূ শীলা খানম হত্যার ২ আসামীকে আটক করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় বিষয়টি সংবাদ সম্মেলন করে নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর পিবিআই পুলিশ সুপার মোঃ মোস্তফা কামাল রাশেদ। আটককৃতরা হলেন চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড উত্তর মৈশাদী গ্রামের মজুমদার বাড়ির আজিজ মজুমদারের ছেলে রাজিব মজুমদার (২১) ও আশিকাটি ইউনিয়নের হাপানিয়া গ্রামের মৃত স্বপন খানের ছেলে কামরুল হাসান হৃদয় (২২)।
পিবিআই পুলিশ সুপার জানান, আসামী রাজিব মজুমদার গোপালগঞ্জের একটি কসমেটিকস দোকানে চাকরি করতেন। একই মার্কেটে আরেকটি কসমেটিকস দোকানে শীলা খানমও চাকরি করতেন। সেই সুবাদে তাদের মধ্যে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আট মাস সম্পর্কের মাঝে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কও হয়েছে। তাদের প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি মার্কেটের সকলের মাঝে জানাজানি হলে একপর্যায়ে তাদেরকে বের করে দেয়া হয়। পরে শীলা খানম রাজিবকে বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করলে তারা দুজনে গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইন্সের সামনে থেকে গাড়িতে করে ঢাকায় এসে চাঁদপুরগামী ময়ুর লঞ্চযোগে রাত ১টায় চাঁদপুর এসে পৌঁছায়। এর মধ্যে লঞ্চের কেবিনে তাদের মাঝে দৈহিক সম্পর্ক হয়েছে।
পরে সিএনজি নিয়ে রাজিবের গ্রামের বাড়ি মৈশাদীতে এসে তার বন্ধু রফিককে ফোন করে এনে পুরো ঘটনাটি খুলে বলে শীলা খানমকে হত্যা করার বিষয়টি জানালে রফিক তাদের আরেক বন্ধু হৃদয়কে আনতে বলেন। পরে হৃদয় এলে তারা তিনজনে মিলে আদুরখান স্কুলের পাশে একটি জঙ্গলে শীলা খানমকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পলাশ পাটওয়ারীর বাগানের ঝোঁপেড় মধ্যে ফেলে রেখে চলে যায় যে যার বাড়িতে। পরদিন সকালে হত্যাকারীরা তিনজন একত্রিত হয়ে রাজিব ও হৃদয় সারাদিন
বাবুরহাট এলাকায় ঘুরাঘুরি করে রাতে হৃদয়ের নানার বাড়ি আশিকাটি ইউনিয়নের দাসদী পাঠান বাড়ি থেকে রাত সাড়ে ১১টায় তাদেরকে আটক করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চাঁদপুর পিবিআই এর পুলিশ পরিদর্শক আতিকুর রহমানসহ সঙ্গীয় ফোর্স।
গৃহবধূ শীলা খানম হত্যাকন্ডে তার স্বামী বাদী হয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। শীলা খানমের দাম্পত্য জীবনে একটি চার বছর বয়সী কন্যা সন্তান রয়েছে। এবং রাজিব মজুমদারও বিবাহিত ছিলেন।
এদিকে গত ৮ সেপ্টেম্বর সকালে উত্তর মৈশাদীর পলাশ পাটওয়ারীর বাগানে স্থানীয় এক ব্যাক্তি দূর থেকে শীলা খানমের ব্যাগ দেখতে পেয়ে কাছে গিয়ে তার লাশ দেখতে পান এবং আশপাশের মানুষদের বিষয়টি জানালে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ ও পিবিআই পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেন। শীলা খানম (২৮) গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার করপাড়া ইউনিয়নের করপাড়া গ্রামের মুনসুর খানের মেয়ে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital