বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরাজীকান্দি ইউনিয়নে উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভা

শেখ হাসিনা ছাড়া এমন উন্নয়ন সম্ভব না : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ৯:২০ পিএম
শেখ হাসিনা ছাড়া এমন উন্নয়ন সম্ভব না : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. শামসুল আলম বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার বরাবরই কর্মীবান্ধব। গরীব ও অসহায় মানুষের পাশে থাকাই হলো আওয়ামী লীগের রাজনীতি। বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জীবন বাজি রেখে সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সেজন্য দেশের সার্বিক উন্নয়নে আওয়ামী লীগ সরকারের কোন বিকল্প নেই।

বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকালে মতলব উত্তর উপজেলার ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের চরমাছুয়া বটতলায় উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা এ দেশের উন্নয়ন কারিগর। তিনি এদেশের উন্নয়নের জন্য নিঃস্বার্থ কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বে দেশে যতো উন্নয়ন হয় তা অন্য কোনো সরকারের সময় হয় না। অন্য সরকারের সময়ে উন্নয়নের নামে লুটপাট হয়। তাই দেশের উন্নয়নের জন্য আবারও শেখ হাসিনার সরকার দরকার।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারাদেশে যে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড চলছে, তার ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হলে, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, স্বামী পরিত্যাক্তা ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতাসহ সকল ভাতা কার্যক্রম বহাল রাখতে হলে এবং ভবিষ্যতে আরো বেশী পেতে হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিস্ময়কর নেতৃত্ব অব্যাহত রাখতে হবে।

তিনি বলেন, একদল লোক আছে, যারা নির্বাচন আসলেই মানুষদের ভুল বুঝানোর চেষ্টা করে, বেহেস্ত ও দোজখের ভয় দেখায়। কোন কাজে নাই শুধু সমালোচনায় ব্যস্ত থাকে। এদের থেকে দূরে থাকতে হবে। শুধু মনে রাখবেন কে কি করেছে, শেখ হাসিনাকে মনে রাখতে হবে। তিনি গরীব মানুষের পরম বন্ধু। শেখ হাসিনা যতদিন আছেন, কোন ভয় নেই।

Model Hospital

ফরাজীকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিন সরকারের সভাপতিত্বে এবং চাঁদপুর জেলা যুবলীগের অন্যতম সদস্য গাজী সাখাওয়াত হোসেন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মনজুর আহমদ, ছেংগারচর পৌর মেয়র আলহাজ্ব আরিফ উল্যাহ সরকার।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন মাষ্টার, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন খান সুফল, মতলব পৌরসভার প্যানেল মেয়র বুলবুল চৌধুরী, ষাটনল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ভুলন চৌধুরী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আখতারুজ্জামান, ফরাজীকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মনির হোসেন বেপারী, মাহবুব আলম মিস্টার, ছেংগারচর পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি রাজিব মিয়া।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, এই সরকারের আমলে ভূমিহীনদের ঘর, কমদামে চাউল, ছাগল, মুরগী, হাঁস, নগদ টাকা, ভাতার কার্ড, বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতাসহ নানাভাবে সহায়তা দেয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য যা প্রয়োজন তার সবই করা হচ্ছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital