শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব উত্তরে ৩৩ দূর্গাপূজা মন্ডপে প্রতিমা তৈরিতে অর্থ অনুদান দিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ১০:৩৯ পিএম
মতলব উত্তরে ৩৩ দূর্গাপূজা মন্ডপে প্রতিমা তৈরিতে অর্থ অনুদান দিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস

চাঁদপুর-২ আসন থেকে নৌকা মনোনয়ন প্রত্যাশী, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএম কুদ্দুস মতলব উত্তরের ৩৩ টি দূর্গাপূজা মন্ডপে প্রতীমা তৈরির জন্য নিজ উদ্যোগে অর্থ অনুদান দিয়েছেন।

গত ২০ সেপ্টেম্বর সকালে মতলব উত্তর উপজেলার ইন্দুরিয়া গোপাল মাস্টারের বাড়ি প্রাঙ্গণে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে আসন্ন শ্বারদীয় শ্রী শ্রী দূর্গাপূজা উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেব বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর-২ আসন থেকে নৌকা মনোনয়ন প্রত্যাশী, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএম কুদ্দুস।

এসময় তিনি উপজেলার ৩৩ টি দূর্গাপূজা মন্ডপে ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে নগদ অর্থ অনুদান দেন। অনুদান পেয়ে প্রতিটি পূজা মন্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণ আনন্দ প্রকাশ করেন এবং প্রার্থনা করেন।

Model Hospital

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ দেওয়ার পর অসাম্প্রদায়িক একটি সমাজ ব্যবস্থা দিয়েছিলেন। যেখানে আমরা বাঙালী জাতি কে মুসলিম, কে হিন্দু কে অন্য ধর্মের তা ভেদাভেদ থাকবে না। আমরা যার যার মত করে যার ধর্ম পালন করবো, এবং কাঁদে কাঁদ মিলিয়ে চলবো। কিন্তু ঐ একাত্তরের ঘাতক রাজাকারেরা তা চায়নি। তারা চায়নি দেশের উন্নয়ন হোক, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা হোক। তাই তারা বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরবর্তীতে দেশের হাল ধরেন। আর তাই আমরা পেয়েছি ডিজিটাল দেশ আর অসাম্প্রদায়িক জাতি। তাই হিন্দু ধর্মালম্বীরা ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো শান্তিমত পালন করতে পারছে।

তিনি আরো বলেন, এক সময় বাংলাদেশের হিন্দুরা পূজা উদযাপন করতে পারতো না। নানান ভাবে তাদেরকে ক্ষতি করা হতো। আর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর সকল ধর্মের মানুষই শান্তি মত ধর্ম পালন করতে পারছেন। এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান। তিনি ক্ষমতায় আছেন বলেই আমরা শান্তিতে থাকতে পারছি। তাই আগামী নির্বাচনেও আওয়ামী লীগকে নির্বাচিত করে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে হবে। তাহলেই আমাদের শান্তি অব্যাহত থাকবে এবং স্মার্ট বাংলাদেশ পাবো। তিনি আগামী নির্বাচনে নৌকা মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।

শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় মতলব উত্তর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ঝন্টু মেম্বারের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার বাঢ়ৈ এর উপস্থাপনায় আরো বক্তব্য রাখেন, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাহজাহান প্রধান, সুলতানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুবকর সিদ্দিক খোকন, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃস্টান ঐক্য পরিষদের প্রেসিডিয়াম সদস্য বিজয় কুমার ঘোষ, মতলব উত্তর হিন্দু বৌদ্ধ খৃস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বাবু রাধেশ্যাম রায়, সুলতানাবাদ ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি সফিকুল ইসলাম খন্দকার, সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক শ্যামল চন্দ্র দাস, স্বাগত বক্তব্য রাখেন গোপাল চন্দ্র দাস। এছাড়াও উপজেলা ৩৩ টি পূজা মন্ডপ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ উন্মুক্ত বক্তব্য রাখেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital