শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে চিরকুট লিখে গৃহবধূর আত্মহত্যা

এস এম ইকবাল প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ৭:২৪ পিএম
ফরিদগঞ্জে চিরকুট লিখে গৃহবধূর আত্মহত্যা

আমার স্বামীর দোষ নাই, আমার স্বামী আমাকে অনেক মায়া করে, আমি সংসারের কোন কাজ করতে পারি না। আমার মাথার অশান্তিয়ে নিজের জিবন দিতেছি। আমার ছেলে-মেয়েদের দেখে রেখো স্বামী। আমারে কেউ কোন কিছু করে নাই, আমার লাশ পুলিশে দিয়েন না। চিরকুটে এ সব কথা লিখে নিজ ঘরের বাশের আঁড়ার সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ৪ সন্তানের জননী নাসিমা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূ।

সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের পূর্ব পোয়া গ্রামে ওই নিজ বসতঘর ৪ সন্তানের জননীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশ সুরতহাল করার সময় চিরকুটটি পায় পুলিশ। নিহত গৃহবধূ নাছিমা বেগম একই গ্রামের মনা গাজী বাড়ীর দিনমজুর হিরন মিয়ার স্ত্রী।

মৃতের বোন হাসিনা বেগম বলেন, গত ২০ বছর পূর্বে আমার বোনের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিনপর আমার দুলাভাই বিদেশে চলে যায়। কয়েকটি দেশে বিদেশ করেও আমার দুলাভাই ভালো কিছু করতে না পেরে গত ৭ বছর পূর্বে দেশে চলে আসে। সে থেকে আমার বোনের মাথায় সমস্যা সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন চিকিৎকদের চিকিৎসা নিয়েও ভালো হয়নি। আমার বড় ভাগ্নির বিয়ে হয়েছে, বাকিদের নিয়ে সব সময় চিন্তা করতো আমার বোন। আমার দুলাভাই দিন মজুরের কাজ করে, কখনো অটোরিকশা চালায়, আবার কখনো কৃষি কাজ করে। হঠাৎ আজকে জানতে পারি আমার বোন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

মৃত ওই গৃহবধূর মেয়ে রাহেলা আক্তার (১০) বলেন, আমার মা অসুস্থ্য, আমি মাকে দুধ চা আর রুটি নিজ হাতে সকালে খাওয়াইছি। পরে দাদীর ঘরে গিয়েছি, সেখান থেকে ২ ঘন্টাপর ঘরে এসেছি আমি খাবার খাবো। তারপর দেখি আমার মা ফাঁসি দিয়েছে। এ দেখে আমি চিৎকার দিলে মানুষরা এসে পুলিশকে খবর দেয়।

Model Hospital

হিরন মিয়া বলেন, আমি সকালে অটোরিকশা নিয়ে বের হয়েছি। ধানুয়া এলাকায় যাওয়ার পর মোবাইলের খবর পেয়েছি আমার স্ত্রী ফাঁসি দিয়েছে। পরে বাড়িতে আসছি।

ফরিদগঞ্জ পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) প্রদীপ মন্ডল বলেন, গৃহবধূর আত্মহত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক সিমটম দেখে এটিকে আত্মহত্যা বলেই মনে হয়েছে। তবুও মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital