বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

২৫ বছর পর রামচন্দ্রপুর কাসেমিয়া ছিদ্দিকিয়া ফাযিল মাদরাসার সম্পত্তির সীমানা নির্ধারণ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ৮:০২ পিএম
২৫ বছর পর রামচন্দ্রপুর কাসেমিয়া ছিদ্দিকিয়া ফাযিল মাদরাসার সম্পত্তির সীমানা নির্ধারণ

হাজীগঞ্জের বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী রামচন্দ্রপুর কাসেমিয়া ছিদ্দিকিয়া ফাযিল (ডিগ্রি) মাদরাসার সম্পত্তির (ভূমি) সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবুল হাসেম (এম.এ হাসেম হাসু) এর সার্বিক প্রচেষ্টায় প্রায় পঁচিশ বছর পর মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) মাদরাসার নিজস্ব ৪৭ শতাংশ সম্পত্তির (ভূমি) সীমানা নির্ধারণ করা হয়।

জানা গেছে, ওই ইউনিয়নের ৯২নং রামচন্দ্রপুর মৌজার বিএস ৯৭ দাগে ৪৫ শতাংশ ও ৯৮ দাগে ২ শতাংশসহ মোট ৪৭ শতাংশ ভূমি মাদরাসার নামের রয়েছে। কিন্তু মাদরাসার বেশ কিছু সম্পত্তি এলজিইডি সড়কের পাশে হওয়ায় কিছু সম্পত্তি মাদরাসার দখলে আর কিছু সম্পত্তিতে স্থানীয়রা দোকানঘর তুলে নিজেদের দখলে রেখেছেন। এতে বেশ কিছু ভূমি মাদরাসার বেহাত হয়ে যায়।

এর মধ্যে গত প্রায় পঁচিশ বছর ধরে স্থানীয় প্রভাবশালী ও সরকারি কর্মকর্তাসহ অনেকে মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি এবং একাধিক ব্যক্তি অধ্যক্ষ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু কেউ মাদরাসার সীমানা নির্ধারণে উদ্যোগ গ্রহণ করেননি এবং মাদরাসারও দৃশ্যমান কোন উন্নয়ন হয়নি। সবশেষ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম.এ হাসেম হাসু মাদরাসার সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

Model Hospital

তিনি মাদরাসার সম্পত্তির সীমানা নির্ধারণ ও নতুন ভবন নির্মাণের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। এম.এ হাসেম হাসু চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) নির্বাচনী এলাকার সাংসদ মেজর অব. রফিকুল ইসলাম বীরউত্তমের দেওয়া ডিও লেটারের মাধ্যমে নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের অনুমোদন ও মাদরাসার সীমান নির্ধারণের কাজ শুরু করেন। যার ফলে মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) মাদরাসার সীমানা নির্ধারণ করা হয়।

এসময় মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদের সহ-সভাপতি এমরান হোসেন খন্দকার, দাতা সদস্য জামাল উদ্দিন খন্দকার, ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য হাবিবুর রহমান ভুইয়া, মফিজুল ইসলাম, শাহাদাৎ হোসেন, অধ্যক্ষ মুহাম্মদ শামছুদ্দীনসহ পরিচালনা পর্ষদের অন্যান্য সদস্য, শিক্ষক, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সীমান নির্ধারণে কাজ করেন, সার্ভেয়ার মো. ইকবাল হোসেন, মো.হুমায়ুন আহমেদ, সাখাওয়াত হোসাইন খন্দকার।

মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষক, অভিভাবক, দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এম.এ হাসেম হাসু বলেন, সবার সার্বিক সহযোগিতায় মাদরাসার ৪৭ শতাংশ সম্পত্তি নির্ধারণ করা হয়েছে। আশা করছি খুব শিঘ্রই মাদরাসার নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজ শুরু হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital