বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

‘আমার মৃত্যুর জন্য ভাই-ভাবী দায়ী’

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ৭:৩০ পিএম
‘আমার মৃত্যুর জন্য ভাই-ভাবী দায়ী’

জেলার শাহজাদপুর উপজেলায় মুদি দোকানে মিলল প্রদীপ কুমার দেব (৪৫) নামের এক ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ।

ভাই-ভাবীর ওপর অভিমান করে ওই ব্যবসায়ী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
কারণ, মৃতের পকেটে মিলেছে একটি চিরকুট। সেখানে ৮ বার লেখা রয়েছে, ‘আমার মৃত্যুর জন্য বড় ভাই ও ভাবী দায়ী’।

মঙ্গলবার (২৬শে সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার মশিপুর সরিষাকোল মাদরসা বাজারের মুদি দোকান থেকে ব্যবসায়ী প্রদীপের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

প্রদীপ ওই বাজারের প্রদীপ স্টোরের মালিক ও দুর্গাদহ গ্রামের মৃত মনোরঞ্জন দেবের ছেলে।

Model Hospital

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে দোকানের উদ্দেশ্যে বের হন প্রদীপ। এরপর দুপুরে খাবার জন্য তিনি বাড়িতে না ফেরায় বিকেলে স্বজনেরা তার খোঁজ করতে থাকেন। সন্ধ্যার দিকে দোকানে গিয়ে দেখেন সাটার বন্ধ থাকলেও তালা দেওয়া নেই। পরে সাটার তুলে দোকানের ভেতরে প্রদীপের ঝুলন্ত মরদেহ দেখেন স্থানীয়রা।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ মাটিতে নামায়। এরপর সুরুতহাল রিপোর্ট তৈরির সময় মৃতের পকেট থেকে চিরকুটটি পান তারা। যেখানে এ ব্যবসায়ীর মৃত্যুর জন্য ভাই-ভাবীকে দায়ী করা হয়েছে।

নিহতের স্ত্রী চম্পা রানীও একই অভিযোগ এনেছেন।

তিনি বলেন, আমার ভাশুর ও তার স্ত্রী ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমাদের ঘর ভাঙার জন্য চাপ সৃষ্টি করছিলেন। এই কারণে আমার স্বামী মানুষিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তাদের অত্যাচারে তিনি রাতে ঘুমাতেও পারতেন না। তাদের অত্যাচারের কারণেই আমার স্বামী আত্মহত্যা করেছেন।

তবে শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম মৃধা জানালেন ভিন্ন কথা।

তিনি বলেন, প্রদীপ কুমার ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। বিভিন্ন এনজিওতে সপ্তাহে প্রায় ৭-৮ হাজার টাকা কিস্তি দিতে হতো তাকে। এসব কারণে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তার পকেটে পাওয়া চিরকুটে বড় ভাই ও বৌদিকে অভিযুক্ত করার বিষয়ে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ওসি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।