বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব উত্তরের চাঞ্চল্যকর বাবু হত্যা মামলা

ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মিজান ফের জেল হাজতে

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বুধবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৩, ৮:০৪ পিএম
ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মিজান ফের জেল হাজতে

মতলব উত্তর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের যুবলীগ নেতা চাঞ্চল্যকর মোবারক হোসেন বাবু হত্যা মামলায় কাজী মিজানুর রহমানকে আবারও জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

বুধবার (৪ অক্টোবর)  সকালে চাঁদপুর জেলার আমলী আদালত মতলব উত্তরের বিচারক নাজমুল হাসান চৌধুরীর আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে তার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তার জামিন স্থগিতাদেশ করলে নিম্ন আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেছিলো। জানা যায়, কাজী মিজান বিভিন্ন তথ্য গোপন করে উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছিলো।

মামলার বাদী আমির হোসেন কালু ও মামলার বিভিন্ন তথ্য সুত্রে জানা যায় , মতলব উত্তর উপজেলার আলোচিত যুবলীগ নেতা মোবারক হোসেন বাবু হত্যা মামলায় প্রধান আসামি কাজী মিজানুর রহমানকে উচ্চ আদালতের দেয়া জামিন ৮ সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। গত ৫ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এ জামিনের স্থগিতাদেশ দেন।

গত ১২ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার সকালে জামিন স্থগিতাদেশের সুপ্রিম কোর্টের কপি চাঁদপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী। এদিকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জামিন ৮ সপ্তাহের জন্য স্থগিতের খবরে মঙ্গলবার হত্যা মামলার ধার্য্য তারিখে মামলার প্রধান আসামি কাজী মিজানুর রহমান আদালতে হাজির হননি।

Model Hospital

এর আগে গত ৩১ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে কাজী মিজান, কাজী মতিন ও কাজী হাবিব জামিন পেলে ওই দিনই মামলার বাদী ও নিহত বাবু’র ভাই আমির হোসেন কালু সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে জামিন বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনের শুনানি শেষে আপিল বিভাগের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের আদালত কাজী মিজানুর রহমানকে উচ্চ আদালতের দেয়া জামিনের ওপর ৮ সপ্তাহের স্থগিতাদেশ দেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট সেলিম মিয়া ও এডভোকেট আল আমিন উজ্জ্বল জানান, উচ্চ আদালতে তথ্য গোপন করে কাজী মিজান জামিনে বের হয়েছিলো। আমরা বাবু হত্যা মামলায় ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করি।

এ বিষয়ে নিহত মোবারক হোসেন বাবু’র ভাই ও মামলার বাদী আমির হোসেন কালু বলেন, আমি ও আমার পরিবারের সবাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।  আমাকে মেরে ফেলার জন্য বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি দিচ্ছে। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
উল্লেখ্য, গত ১৭ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে মাথাভাঙ্গা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সমাবেশের আয়োজন করে মোহনপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ। এসময় মোহনপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রাম থেকে মিছিল নিয়ে সমাবেশে যাওয়ার পথে স্বাধীনতা বিরোধী পরিবারের সদস্য কাজী মিজানের নির্দেশে মিছিলে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এসময় যুবলীগ নেতা মোবারক হোসেন বাবুসহ ৫ জন  গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বাবুকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিন রাতে মতলব উত্তর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হলে পরদিন ১৮ জুন সকালে প্রধান আসামি কাজী মিজানুর রহমানকে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে প্রেরণ করে। এর আড়াই মাস পর গত ৩ সেপ্টেম্বর তারিখে চাঁদপুর কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান কাজী মিজানুর রহমান।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital