বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলবে মাদক ব্যবসায়ী আলীর বিরুদ্ধে মাদক দিয়ে ফাঁসিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

মতলব উত্তর ব্যুরো প্রকাশিত: শনিবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৩, ৮:৫৬ পিএম
মতলবে মাদক ব্যবসায়ী আলীর বিরুদ্ধে মাদক দিয়ে ফাঁসিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

মৎস্য আড়তে মাছ না দেয়ার কৌশলে মাদকের পুটলা খোলতে দিয়ে ভিডিও ধারণ করে, ওই ভিডিও ফেইজবুকে ছেড়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে এক লাখ ২৩ হাজার টাকা নেয়া’সহ বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করায় মাদক কারবারি আলী’র বিরুদ্ধে মতলব উত্তর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী বিপ্লব বর্মন।

মতলব উত্তরের এখলাছপুর ইউনিয়ন এর লঞ্চঘাট এলাকার আশ্রয়ন কেন্দ্রের বাসিন্দা শ্রী বিপ্লব বর্মন থানায় ৬ জুন ও ৯ সেপ্টেম্বর ঘটনার তারিখ উল্লেখ করে মাদক ব্যবসায়ী একই আশ্রয়ন কেন্দ্রের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।

শ্রী বিপ্লব বর্মন এর অভিযোগ ও সাক্ষাৎকারে জানা যায়, মোহাম্মদ আলী মৎস্য আড়ৎ এ কাজ করেন একই আড়ৎ এ মানিক সরকারক মাছ দেন বিপ্লব বর্মন। ঘটনার কিছুদিন আগে মোহাম্মদ আলী ডেকে নিয়ে বিপ্লব বর্মনকে বলে তুই এখন থেকে মানিক সরকারকে না আমাকে মাছ দিবি, এতে বিপ্লব বর্মন বলে আমি বহু বৎসর যাবত মানিক সরকার এর সাথে ব্যবসা করছি। এবং কয়েক লাখ টাকা দাদন নেওয়া, আলী ভাই আপনাকে আমি মাছ দিতে পারবোনা। এতে করে আলী ক্ষিপ্ত হয়ে গাল মন্দ করে ও হুমকি প্রধান করে তোকে দেখে নিবো এলাকার লোকজনের সামনে চায়ের দোকানে, শ্রী বিপ্লব বর্মন সনাতন ধর্মাবলম্বী হওয়ায় ভয়ে সে চুপ করে চলে যায়।

ঘটনার তারিখে মোহাম্মদ আলী বিপ্লব বর্মন কে বলে একটু আমার বাসায় আসো জরুরি কথা আছে বিপ্লব সরল মনে আলীর বাসায় যায় মোহাম্মদ আলী বিপ্লব বর্মন এর কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা ধার চায়, বিপ্লব বলে আমার কাছে টাকা নাই।

Model Hospital

পরে মোহাম্মদ আলী বলে আমার বাসায় আসছো কিছু না খেয়ে যেতে পারবানা, বিপ্লব বলে ভাই আমার কাজ আছে যেতে হবে। মোহাম্মদ আলী একটা কাগজ মোড়ানো প্যাকেট দিয়ে বিপ্লবকে বলে এটা খোলো।

বিপ্লব বলে এটা কি ভাই আমি এটা খোলবোনা জোরপূর্বক বিপ্লবকে দিয়ে আলী কাগজ মোড়ানো প্যাকেটটি খুলতে বাধ্য করে। বিপ্লব বর্মন প্যাকেট খুলে দেখে কয়েকটি ইয়াবা ট্যাবলেট তখন মোহাম্মদ আলী বলে আমি গোপন ক্যামেরায় তোমার এই প্যাকেট খোলার ভিডিও আমি ধারণ করেছি এখন আমি সোস্যাল মিডিয়ায় ছেড়ে দিয়ে তোমার মানহানি করবো না হয় টাকা দেও, এই ভাবে মোহাম্মদ আলী শ্রী বিপ্লব বর্মনকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে একাধিক বার টাকা হাতিয়ে নেয়। যার পরিমাণ এক লাখ তেইশ হাজার টাকা। পরে আরো টাকা চাইলে বিপ্লব বর্মন এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের জানায়।

এতে করে মোহাম্মদ আলী আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ঘটনার দিন বিপ্লবকে মারধর ও গালমন্দ করে, শ্রী বিপ্লব বর্মন মতলব উত্তর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে এবং ন্যায় বিচার চায়। বিপ্লব বর্মন ও এলাকাবাসির সাথে কথা বলে জানা যায় মোহাম্মদ আলী একজন মাদক ব্যবসায়ী একাধিকবার সে হাজত খেটে আসছে ও দাংগাবাজ।

এ বিষয়ে মোহাম্মদ আলীকে জিজ্ঞেস করলে সে বলে, শ্রী বিপ্লব বর্মন এর সাথে আমার লেনদেন আছে, সে বিষয়ে আমি আমার ফুফা মানিক সরকার ও আমার ফুফুকে জানালে ওনারা এর প্রতিকার না দেওয়ায় আমি ওনাদের বিরুদ্ধে ও মামলা দায়ের করেছি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital