আওয়ামী লীগের কেন্ত্রীয় উপ-কমিটির সদস্য হলেন চাঁদপুরের সফিউল আযম
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটিতে দ্বিতীয় বারের মতো সদস্য হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা ও ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক সফিউল আযম। গত ৪ অক্টোবর আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ কমিটির অনুমোদন দেন।

উপ-কমিটির চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের অন্যতম সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনারারি অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হক এবং সদস্য সচিব আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক পরিবেশবিদ দেলোয়ার হোসেন।

সফিউল আযম বলেন, আমি বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, এবং অত্র উপ-কমিটির চেয়ারম্যান ও সদস্য সচিবসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

তিনি বলেন, নতুন এই দায়িত্বের মাধ্যমে আরও বড় পরিসরে কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার ওপর যে আস্থা রেখেছেন সেটির সর্বোচ্চ প্রতিদান দেয়ার চেষ্টা করব। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে বরাবরের মতো আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটি দেশের পরিবেশ সুরক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা রাখবে এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সহযোগী হিসেবে কাজ করবে।

জানা যায়, চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার টামটা উত্তর ইউনিয়নের ইছাপুরা গ্রামের আওয়ামী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন সফিউল আযম। স্কুল জীবন থেকে সক্রিয় হন স্থানীয় ছাত্রলীগের রাজনীতিতে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই ছাত্রনেতা সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে বিএসএস (সম্মান) ও এমএসএস ডিগ্রী অর্জনের পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা ডিগ্রী অর্জন করেন।
দেশের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে দীর্ঘদিন কাজ করার পর বর্তমানে ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক হিসেবে জাতীয় দৈনিক ও অনলাইন পত্রিকায় নিয়মিত বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক নিবন্ধ লেখা, বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের জন্য অনুষ্ঠান পরিকল্পনা ও স্ক্রিপ্ট প্রস্তুতকরণসহ তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রেস ইনফরমেশন ডিপার্টমেন্টের সাথে কাজ করছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ চুকিয়ে মূল ধারার সাংবাদিকতার পাশাপাশি উন্নয়ন সাংবাদিকতায় মনোনিবেশ করেন। তিনি পরিবেশ সুরক্ষা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, শিশু অধিকার ও স্থানীয় সরকার বিষয়ে গবেষণায় নিয়োজিত করেন।
তিনি যুক্তরাজ্য, তুরস্ক, মিশর, দক্ষিণ কোরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশে সফর করেছেন এবং সাংবাদিকতা বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। তাঁর প্রকাশিত বই শিশু অধিকার ও আমাদের দায়বদ্ধতা এবং স্থানীয় সরকার আইন ও পর্যালোচনা বই দুটি পাঠক মহলে বেশ সমাদৃত হয়েছে।








