বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাজীগঞ্জে গলা কেটে স্বামী হত্যা, স্ত্রীর সেই পরকীয়া প্রেমিক যশোর থেকে গ্রেফতার

সাইফুল ইসলাম সিফাত প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৩, ১১:৩৯ পিএম
হাজীগঞ্জে গলা কেটে স্বামী হত্যা, স্ত্রীর সেই পরকীয়া প্রেমিক যশোর থেকে গ্রেফতার

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে পরকিয়া প্রেমের জেরে স্বামী খুনের ঘটনায় হত্যা মামলার প্রধান আসামি সৈয়দ আশেকে এলাহী বাবুকে (৩২) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার দিবাগত রাতে ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের সহযোগিতায় তাকে গ্রেফতার করেন, তদন্ত কর্মকর্তা ও হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুর রহমানসহ সঙ্গীয় ফোর্স।

গ্রেফতারকৃত আসামি চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের আজাগরা গ্রামের মুন্সী বাড়ির সৈয়দ মাসুদ মুন্সীর ছেলে। এর আগে গত রোববার দিবাগত রাতে হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন হাজীগঞ্জ বাজারের ট্রাক রোডস্থ আমেনার বাসার ৩য় তলায় জবাই করে হত্যা করা হয় সৌদি প্রবাসী মো. এমরান হোসেনকে (৪০)।

তিনি ফরিদগঞ্জ উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের দালাল বাড়ির মো. আবুল বাশারের ছেলে। এই ঘটনায় নিহতের বোন রিনা বেগম বাদী হয়ে ৪ জনকে আসামি করে হাজীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার দিন মামলার দ্বিতীয় আসামি স্ত্রী ফারাজানা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে পুলিশ।

Model Hospital

পরে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। তিনি হাজীগঞ্জ উপজেলার বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের জাখনি গ্রামের মৃত জসিম উদ্দিনের মেয়ে। তারা স্বামী-স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে স্বামী-স্ত্রী ও একমাত্র সন্তান দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া আফনানকে (৮) নিয়ে হাজীগঞ্জে ভাড়া বাসায় থাকেন।

বাদি রিনা বেগম জানান, ভাবির (এমরান হোসেনের স্ত্রী ফারজানা বেগম) সাথে তার পরকীয়া প্রেমিক সৈয়দ আশেকে এলাহী বাবুর দীর্ঘদিন প্রেম ছিল। এঘটনায় পারিবারিকভাবে শালিসি বৈঠক ও থানায় অভিযোগ হওয়ার পরে ভাবি ও তার পরিবার ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে ভাবি এমন কাজ করবেননা বলে জানান। একমাত্র ছেলের কথা ভেবে ভাইও তাকে ক্ষমা করে দেন।

তিনি বলেন, আমার ভাই ছুটি শেষে সৌদিতে যাবার পর ভাবী আবারো পরকীয়া প্রেম শুরু করে। এরপর ভাই ছুটিতে দেশে এলে ভাবি ও তার প্রেমিক দুইজনে মিলে পরিকল্পিতভাবে ভাইকে জবাই করে হত্যা করে। এর সাথে জড়িত ভাবির মা ও বোন। ভাবির বোনের চাচাতো দেবর হলেন, সৈয়দ আশেকে এলাহি বাবু। এঘটনায় তিনি সংশ্লিষ্ট ৪জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুর রশিদ জানান, সৈয়দ আশেকে এলাহি বাবুকে ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের সহযোগিতায় গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে আজকেই হাজীগঞ্জে নিয়ে আসা হবে।

উল্লেখ্য, রোববার (৮ অক্টোবর) রাতে হাজীগঞ্জ বাজারের ট্রাক রোডস্থ আমেনার বাসার ৩য় তলায় নিজ ভাড়া বাসায় খুনের শিকার হন সৌদিআরব প্রবাসী মো. এমরান হোসেন। এই ঘটনায় প্রেমিক সৈয়দ আশেকে এলাহী বাবুকে নিয়ে স্বামীকে জবাই করে খুনের অভিযোগ উঠে স্ত্রী ফারজানা বেগমের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর পালিয়ে যায় পরকীয়া প্রেমিক এবং ওই দিন রাতেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফারজানাকে আটক করে পুলিশ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital