বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সাধারন মানুষের সাথে আওয়ামী লীগের মনোনায়ন প্রত্যাশী বোরহানের কুশল বিনিময়

গাজী মোঃ মহসিন প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৩, ৯:০২ পিএম
সাধারন মানুষের সাথে আওয়ামী লীগের মনোনায়ন প্রত্যাশী বোরহানের কুশল বিনিময়
চাঁদপুর সদর ও হাইমচর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের বিভিন্ন চিত্র জনগনের কাছে তুলে ধরে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কার ভোট প্রার্থনা করে দিনব্যাপী নেতাকর্মী, সাধারণ মানুষদের নিয়ে পথসভা ও গণসংযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী মৎস্যজীবি লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা  আওয়ামী মৎস্যজীবি লীগের সভাপতি এবং চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনায়ন প্রত্যাশী আলহাজ্ব মোঃ রেদওয়ান খান বোরহান।
শনিবার (১৪ অক্টোবর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে চাঁদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর বাজার, চান্দ্রা চৌরাস্তা বাজার, হাইমচর উপজেলার বাংলা বাজারে গণসংযোগ করেন। সেই সাথে গত পহেলা অক্টোবর রবিবার চাঁদপুর সদরে লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নে আলহাজ্ব মোঃ রেদওয়ান খান বোরহান এর বাড়ির সামনে লক্ষীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত স্যাটেলাইট টেলিভিশন ডিবিসি নিউজের ইলেকশন এক্সপ্রেস লাইভ অনুষ্ঠান চলাকালে দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত দলীয় নেতাকর্মীদের খোঁজ খবর নেন। এর আগে সকাল ১০টায় তিনি সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের লক্ষীপুর খান বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করেন।
এসময় আলহাজ্ব মোঃ রেদওয়ান খান বোরহান ব্যবসায়ীদের কাছে বর্তমান সরকারের নানা মুখী উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরেন এবং আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে চতুর্থ বারের মতো শেখ হাসিনাকে আবারো প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচিত করবেন। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ গড়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বর্তমান সরকারের সকল উন্নয়ন বার্তা আপনাদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছি।
তিনি আরো বলেন আওয়ামী লীগের শক্তি হচ্ছে জনগন। আওয়ামী লীগ সরকারকে আবারও সমর্থন দিয়ে দেশের উন্নয়নের জন্য সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। আগামী নির্বাচনে কোন অপশক্তি আমাদেরকে ঠেকাতে পারবে না ইনশাআল্লাহ। আপনারা সবাই উন্নয়ন দেখে নৌকায় ভোট দিবেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর সদর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ নাজমুল হোসেন পাটওয়ারী, হাইমচর উপজেলা আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি মিজানুর রহমান খান, চান্দ্রা ইউনিয়ন আওয়ামী মৎস্যজীবি লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী মোল্লা, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জিসান পাটোয়ারী সহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।