বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হরতালে নাজেহাল চাঁদপুরের সাধারণ মানুষ, টান রুজিতে

সজীব খান প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৩, ৬:১৬ পিএম
হরতালে নাজেহাল চাঁদপুরের সাধারণ মানুষ, টান রুজিতে

বিএনপি-জামায়াতের ডাকা হরতালের কারণে রবিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল থেকে চাঁদপুরের বিভিন্ন সড়ক মহা সড়কগুলোতে যানবাহন চলাচল কম ছিল।

বিগত দিনের চেয়ে হরতালে দিন সড়কে যান বাহন চলাচল কম থাকায় দুর্ভোগে পড়তে হয়েছিল যাত্রী সাধারণনের ।

অন্যান্য দিনের মতো সড়কে যানবাহনের চাপ ছিলনা বললেই চলে। হরতালের দিন অল্প কিছু গণপরিবহন চাঁদপুরের বিভিন্ন সড়ক মহা সড়কে চলাচল করছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সড়কে গণপরিবহনের চাপ বেড়েছিল। হরতালের সমর্থনে চাঁদপুরের তেমন কোথাও পিকেটিং করতে দেখা যায়নি বিএনপির নেতাকর্মীদের। হরতালকে ঘিরে দুই একটি ঘটনা ছাড়া কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

গণপরিবহন কম থাকায় রিকশা ও ছোট যানবাহনের দাপট বেড়েছে। নিয়মিত ভাড়ার চেয়ে যানবাহনগুলো অতিরিক্ত বেশি ভাড়া আদায় করার অভিযোগ উঠেছিল।

Model Hospital

এদিকে, রবিবার সকালে চাঁদপুর কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, দূরপাল্লার যানবাহনগুলো চাঁদপুর থেকে বিভিন্ন স্থানে থেকে ছেড়ে যাচ্ছে না। কাউন্টারগুলো খোলা থাকতে দেখা যাইনি।

চাঁদপুরের সড়কে বিপুলসংখ্যক পুলিশ অবস্থানের কারনে তেমন কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পুলিশের পাশা-পাশি ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সড়কে অবস্থান করে যান বাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখেন।

চাঁদপুরের বিভিন্ন ইউনিটের বিএনপির নেতাকর্মীরা মাঠে একে বারেই উপস্থিতি ছিলনা বললেই চলে। হরতালে যেকোনও নাশকতা ঠেকাতে পুলিশ সতর্ক অবস্থায় ছিলেন। চাঁদপুরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানের সামনে পুলিশের সতর্ক অবস্থান লক্ষ করা গেছে।

কথা হয় বাবুরহাট মতলব রোডের মাথায় দায়িত্বরত এক পুলিশ সদস্যসের সাথে, তিনি জানান, ‘হরতালে জনজীবনে কোনও প্রভাব পড়েনি। যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আমরা মাঠে রয়েছি। হরতালের সমর্থনে কোনও পিকেটিং কিংবা মিছিল-মিঠিং করতে দেখা যায়নি। তবে যেকোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ সতর্ক অবস্থায় আছে।

বিএনপির ডাকা হরতালে চাঁদপুর কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের গাবতলীতে বিএনপির সমর্থীত নেতাকর্মীরা ভোর সকালে সড়কে গাছ ফেলে অবরুদ্ধ করে রাখলে আশিকাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা খবর পেয়ে সড়ক থেকে গাছ অবসারন করে যান বাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখেন, চাঁদপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা মনির হোসেন গাজী, পৌর আওয়ামী লীগ নেতা হোসেন শেখ হুসু, আশিকাটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক বিল্লাল খান, সিনিয়র সহ-সভাপতি সাজু খান, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা বিল্লাল বেপারীসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে হরতালের বিপক্ষে সড়কে অবস্থান নিয়ে যান বাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।