বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব উত্তরে অগ্নিকাণ্ডে ৫ টি দোকান ভস্মিভূত : দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৩, ৮:৩২ পিএম
মতলব উত্তরে অগ্নিকাণ্ডে ৫ টি দোকান ভস্মিভূত : দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

মতলব উত্তর উপজেলার আমিরাবাদ বাজারে বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) আনুমানিক ভোর ৪ টায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

এতে ৫টি দোকান ভস্মিভূত হয়। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে মতলব উত্তর ফায়ার সার্ভিসের দু’টি ইউনিট ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় প্রায় দুই ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানায় ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা।

ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলো হচ্ছে নুরুল ইসলাম গাজীর মুদি দোকান, সাইদুল ইসলামের জাল ও সুতার দোকান, নবী গাজীর বেকারীর দোকান, ছিডু বকাউলের লাকড়ীর দোকান ও শুকুর সওদাগরের ক্রোকারিজের দোকান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাজারের নৈশপ্রহরীরা ভোর ৪টার দিকে বেকারীতে আগুন দেখতে পেয়ে ডাক চিৎকার দেন। পরে আশপাশের লোকজন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট এসে আগুন পুরোপুরো নিয়ন্ত্রণে আনে। বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিনে জানা গেছে, দোকানগুলো ও ভেতরে পড়ে থাকা সকল মালামাল ছাই হয়ে আছে। দোকানে থাকা কোন মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

Model Hospital

মুদি দোকানদার সৈকত বলেন, আমার দোকানে প্রায় ৪০-৪৫ লক্ষ টাকার মুদি আইটেমের মালামাল ও নগদ ২-৩ লাখ টাকা ছিল। কিভাবে আগুন লেগেছে বুজতে পারছি না। পাশের দোকানদার নবী গাজী জানান, তার বেকারী পুড়ে প্রায় ৬০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। সাইদুলের দোকানেও প্রায় ৭-৮ লাখ টাকার মালামাল ছিল।

খবর পেয়ে অগ্নিকাণ্ড স্থান পরিদর্শন করেন ইউএনও আশরাফুল হাসান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার (পিআইও) মো. আওরঙ্গজেব, ফরাজীঅকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জি. রেজাউল করিম, আওয়ামীলীগ নেতা জমশেদ বেপারী।

মতলব উত্তর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যার হাউস ইন্সপেক্টর মো. জাকির হোসেন বলেন, আগুনের খবর পাওয়া মাত্রই দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দোকানের বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল হাসান বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।

ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিকরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য জোর দাবি জানান।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।