কিশোরীর সাহসিকতাকে সংবর্ধনা প্রদান করলো চাঁদপুর সদর ইউএনও সৈকত
বাল্যবিবাহ এক সামাজিক ব্যাধি। এই অভিশাপ দূরীকরণে আমাদের সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। চাঁদপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডে এক কিশোরীর বাল্যবিয়ের আয়োজন চলছিলো।

অসম্ভব মেধাবী ও সাহসী হামিদা জাকির জয়িতা আক্কাছ আলী রেলওয়ে একাডেমীর দশম শ্রেণির ছাত্রী।

তার সাহসিকতা, আত্মবিশ্বাস ও প্রত্যয়ে উক্ত বাল্যবিয়ের আয়োজন চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে। প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপে জয়িতা বাল্যবিয়ের অভিশাপ থেকে মুক্তি পায়।

১৬ নভেম্বর উপজেলা প্রশাসন দারুণ আত্মবিশ্বাসী ও সাহসী জয়িতা-কে সংবর্ধনা প্রদান করে। এসময়ে চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাখাওয়াত জামিল সৈকত তার হাতে তুলে দেন অমূল্য উপহার বই। এসময় জয়িতার বাবা-মা ও আক্কাছ আলী রেলওয়ে একাডেমীর প্রধান শিক্ষক মোঃ গোফরান হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাখাওয়াত জামিল সৈকত জয়িতাদের আত্মবিশ্বাস ও বড় হওয়ার প্রত্যয় আশাবাদী করেন। এবং উপজেলা প্রশাসন জয়িতাদের পাশে আছে, আগামীতেও থাকবে।
উল্লেখ্য, হামিদা জাকির জয়িতা কয়েকদিন যাবত বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলে বিষয়টি প্রধান শিক্ষকের নজরে আসে। তিনি বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন অপ্রাপ্ত বয়সেই তার বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। প্রধান শিক্ষক চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট বিষয়টি অবহিত করেন। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সম্পূর্ণ বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে বাল্যবিবাহ বন্ধের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।








