শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মশাই যখন কসাই!

রিফাত কান্তি সেন প্রকাশিত: রবিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৪, ৭:৪৫ পিএম
মশাই যখন কসাই!

বেশ ক’দিন ধরে ব্যাংক পাড়ায় চলছে মহা হট্টগোল। বেসরকারী ব্যাংক পূবালী ব্যাংকের ব্রাঞ্চ প্রধানের দুর্নীতির খবর এখন টপ অফ দ্যা নিউজ। অনেকেই ছন্দের সাথে বলছেন, “মশাই যখন কসাই”।

মানুষের চেহারা দেখে কখনোই বুঝার উপায় নেই তিনি ভন্ড না সাধু। ছোটবেলায় শুনতাম অর্থ আর নারী এ দুই মাধ্যমে মানুষের চরিত্র বুঝা সম্ভব। বাস্তবের ঘটনাও তাই। সম্প্রতি চাঁদপুরে বেসরকারী একটি ব্যাংকের উচ্চ পদস্ত কর্মকর্তার দুর্নীতি যেন চোখে আঙ্গুল দিয়ে আবারো জানান দিয়ে গেলো কোন কোন ক্ষেত্রে বিশ্বাসে আসলে মেলে না বস্তু। গ্রাহকের কয়েক কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা ম্যানেজার মশাই। মানা যেত যদি কোন ছোট কর্মকর্তা এ কাজ করতো। গোড়ায় যদি গলদ থাকে তবে শাখা- প্রশাখার কি হাল একবার ভাবুন। ফিল্মি স্টাইলে ভদ্রলোক অর্থ নিয়ে পালিয়েছে। মোটামুটি বলা চলে কুকি-চিনের চাইতেই ভয়ংকর ছিল ব্যবস্থাপক মশাই।

সারাদেশে সুনামের সাথে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে পূবালী ব্যাংক। তবে চাঁদপুর শহরের নতুন বাজার শাখার ব্যবস্থাপক শ্রীকান্ত নন্দীর কার্যকালাপ ছিল প্রশ্নবিদ্ধ।

গ্রাহককে নানা রকম লোভ-লালসা দেখিয়ে নিজের পকেট ভারি করার চিন্তায় মগ্ন ছিলেন তিনি। বর্তমান সময়ে সঞ্চয়ের কথা আসলে চিন্তা করা মানে বাড়তি একটা প্যারা মাথায় নিয়ে ঘোরা। সেখানে নিন্ম মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষেরা একটু বিপাকেই আছেন। তবু ভবিষতের কথা মাথায় রেখে কিছুটা হলেও সঞ্চয় করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন তারা।

Model Hospital

এখন প্রশ্ন হচ্ছে ব্যাংকের বড় কর্মকর্তাদেরই যদি বিশ্বাস করা না যায় তবে গ্রাহকের এ সঞ্চয়ের নিশ্চয়তাটা কতটা মজবুত হবে সেটা ব্যাংক কর্তৃপক্ষের ভাবা উচিত। হয়তো এখন কথা আসবে কারো ব্যক্তিগত অন্যায়ের দায় কর্তৃপক্ষ নিবে না, কিন্তু ঐ প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়ার আছে বলেই তো লোকগুলো বিশ্বাস করে।

নাম বলতে অনিচ্ছুক এক গ্রাহক বলেন, “আমি কলেজে পড়ি। টিউশনি করিয়ে সংসারে কিছুটা সাহায্য করে এরপর যা অবশিষ্ট থাকে তা দিয়ে একটি ডিপিএস চালাই। এমন সংবাদ শোনার পর আমি বেশ ভেঙে পরি। এত কষ্টের জমানো টাকা, চিন্তা তো একটু হবেই। তবে পরে অবশ্য বুঝেছি যে আমাদের টাকায় কোন সমস্যা হবে না। এখন কথা হচ্ছে সাময়িক সময়ের জন্য তো আমরা হোঁচট খেয়েছি। “

দেশে বড় কারো সাথে ঘটনা ঘটলে তা নজরে আসে। আমাদের মিডিয়া পাড়ায়ও তখন ধুম লেগে যায়। আইন-আদালত নিয়ে দৌঁড়-ঝাপ শুরু। কিন্তু নিন্ম-মধ্যেবিত্তের জীবনে এমন ঘটনা ঘটলে তা প্রকাশ্যে আসে না। সুযোগে প্রতারিত হউন অনেকে। ব্যাংকিং কার্যক্রমে আরো বেশী জবাবদিহিতা থাকা উচিত। গ্রাহক সেবা উন্নত করতে আরো বেশী সোচ্চার হওয়া উচিত।

গ্রাহকদেরও এব্যাপারে আরো বেশী সচেতন হওয়া দরকার। মনে রাখতে হবে, লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু!

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital