মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

বানভাসির পাশে এমপি রনজিত সরকার

রাজু আহমেদ রমজান, সুনামগঞ্জ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ জুন, ২০২৪, ৮:৩৫ পিএম
বানভাসির পাশে এমপি রনজিত সরকার
উজানের ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় প্লাবিত এলাকা দিনভর পরিদর্শন করেছেন হাওরাঞ্চলের স্বপ্নসারথী এমপি রনজিত সরকার।
শুক্রবার (২১ জুন) হাওরাঞ্চলের এ জনপদ পরিদর্শন করেন তিনি। গত এক সপ্তাহ ধরে সুনামগঞ্জ-১ আসনের সর্বত্র পরিদর্শন করে আসছেন হাওরপাড়ে বেড়েওঠা তাহিরপুর উপজেলার এই কৃতিসন্তান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিন, ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক একলাছুর রহমান তারা, সুনামগঞ্জ প্রেসক্লাবের সিনিয়র সদস্য সাংবাদিক গীতিকার ও সংগীতশিল্পী রাজু আহমেদ রমজান, সাংবাদিক লিমন মাহমুদ, স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা বদিউজ্জামান মিয়া, আওয়ামীলীগ নেতা সাহাব উদ্দিন আখঞ্জি, যুবলীগ নেতা মানিক চন্দ্র পাল, শ্রমিকলীগ নেতা রুবেল কাজী প্রমুখ। এছাড়া দলীয় ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
টানা বৃষ্টি আর উজান ঢলের পানিতে প্লাবিত হচ্ছে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলার নিম্নাঞ্চল। জেলা শহরের সর্বত্র পানি বৃদ্ধির ফলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির অবনতি হয়।
পানিবন্দী ছিলেন লাখো মানুষ। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উপরোল্লিখিত উপজেলারগুলোতে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। এদিকে, হাওরাঞ্চলে পানি বৃদ্ধির খবরে গ্রামের পর গ্রাম ঘুরে জনগণের খোঁজ নেন এমপি রনজিত সরকার।
প্রসঙ্গত, পিছিয়েপড়া হাওরবাসীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন স্বপ্নসারথী রনজিত সরকার। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে মহান জাতীয় সংসদে তুলে ধরছেন হাওরাঞ্চলের অমিত সম্ভাবনা আর উন্নয়নে রোল মডেল করার বিভিন্ন প্রস্তাবনা। এরই ফলশ্রুতিতে একের পর এক উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে সুনামগঞ্জ-১ আসনের সর্বত্র।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।