বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সচেতনতা ও শান্তির বার্তা নিয়ে

সাধারণ জনগণের দোরগোড়ায় শাহরাস্তি পৌর বিএনপি

মোঃ রাফিউ হাসান হামজা প্রকাশিত: সোমবার, ১২ আগস্ট, ২০২৪, ২:৩৯ পিএম
সাধারণ জনগণের দোরগোড়ায় শাহরাস্তি পৌর বিএনপি

চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলায় জনগণের কাছে শান্তির বার্তা ও গুজব রোধে সচেতনতার বার্তা নিয়ে পৌঁছে দিয়েছেন শাহরাস্তি পৌর বিএনপির নেতা–কর্মীরা।

পৌরসভার ১, ৩, ৪, ৬, ৭ ও ৯ নং ওয়ার্ডের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকান, রেস্তোরাঁয় যান বিএনপি নেতা–কর্মীরা। শাহরাস্তি পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোঃ ফারুক হোসেন মিয়াজির সঙ্গে সফর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুল কাইয়ুম রিপন,পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাজহারুল ইসলাম জুয়েল, পৌরসভা ছাত্রনেতা শাহাদাত,পৌরসভা ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক ইমাম,পৌর ছাত্রনেতা মনির ও শাকিল প্রমুখ।

পৌরসভা যুবদলের সদস্য সচিব আব্দুল কাইয়ুম রিপন বলেন, শান্তির বার্তা নিয়ে গত কয়েকদিন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের বেশি বসবাস এমন এলাকার মানুষগুলোকে সতর্কতার পাশাপাশি যে কোন অপ্রীতিকর ঘটনায় প্রশাসন ও আমাদেরকে জানানোর জন্য সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সংখ্যালঘুদেরকে আহবান জানিয়েছি।

Model Hospital

শাহরাস্তি পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব ফারুক হোসেন মিয়াজী বলেন, ‘আমাদের নেতা তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শান্তির বার্তা নিয়ে শহরের বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ করেছি। তাঁদের বলেছি, ভয়ের কিছু নেই, কেউ কোনো রকম ভয় দেখালে, অন্যায় আবদার করলে, হুমকি দিলে ভীত না হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করুন, আমাদের ও প্রশাসনকে জানাবেন। গণতন্ত্রের যে সুবাতাস বইছে, তাকে কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত হতে দেব না।’

কালীবাড়ি ও ঠাকুরবাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, কয়েক দিনের পরিস্থিতিতে একধরনের অস্বস্তি নিয়ে দোকানদারি করছিলাম। বিভিন্ন স্থানের অনেক ধরনের ঘটনা শুনে ও জেনে ভালো লাগতো না। শান্তির বার্তা নিয়ে বিএনপির প্রচারণায় এখন আমরা সাহস পাচ্ছি।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।