সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

নবারুণ আদর্শ শিশু শিক্ষা নিকেতনের মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ১২ আগস্ট, ২০২৪, ৮:৫১ পিএম
নবারুণ আদর্শ শিশু শিক্ষা নিকেতনের মানববন্ধন

নবারুণ আদর্শ শিশু শিক্ষা নিকেতন বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর নতুন করে শুরু করার উদ্দেশ্যে মানববন্ধন কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে।

১২ আগস্ট সোমবার দুপুরে চাঁদপুর গনি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং ছাত্র ছাত্রীবৃন্দ।

এ সময় স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষিকা নুরজাহান এবং মুন্নাদি বলেন, নবারুন আদর্শ শিশু শিক্ষা নিকেতন জেলা প্রসাশক ও গনি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কমিটির সিদ্ধান্তক্রমে স্হাপিত হয় ১৯৮৬ সালে। চাঁদপুর শহরের গণি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ভবনে নবারুণ আদর্শ শিশু শিক্ষা নিকেতনের কার্যক্রম সুন্দরভাবে চলছিলো।

২০১৮ সালে কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ স্কুলটি বন্ধ করার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায়, ২০১৯ সালের মাঝামাঝি সময় প্রায় ৩০০ ছাত্র ছাত্রীর উপস্থিতে স্কুলটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে তৎকালীন পৌর মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদের সমন্বয়ে স্কুলটি পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

Model Hospital

এক বছর কার্যক্রম চলার পরে ২০২০ সালে স্কুলটি পুনরায় বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শিক্ষক মন্ডলীদের অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করা হয়। ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে নতুন বই বিতরণ করতে বাধা দেওয়া হয় এবং অফিস কক্ষ তালা বন্ধ করে রাখে।

শিক্ষকদের স্কুলে ঢুকতে বাধা প্রদান করা হয়। রাজনৈতিক কিছু সন্ত্রাসী দিয়ে শিক্ষকদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়।অফিস কক্ষের আসবাবপত্র এবং গুরুত্বপূর্ণ সার্টিফিকেট কিছু অসাধু দুষ্কৃতী, সন্ত্রাসীদের নেতৃত্বে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আইনের আশ্রয় নিলে তারা বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয় এবং শিক্ষকদের ওপর হামলা করার চেষ্টা করে এবং মামলা তুলে নিতে বাধ্য করে।

অতএব আমরা স্কুলটি ফিরে পেতে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষানুরাগী, জেলা প্রশাসকসহ সকল শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা কামনা করি। আমরা আমাদের নবারুন স্কুলটি ফিরে পেতে চাই এবং সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কামনা করি।

পরবর্তীতে গণি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্বাস উদ্দিনের কাছে স্মারকলিপি পেশ করলে নবারুণ আদর্শ শিশু শিক্ষা নিকেতন ভবন পুনরায় ফেরত দেওয়ার আশ্বাস প্রদান দেন।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।