বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

বন্যার্তদের সহযোগিতায় সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান - জেলা প্রশাসক মো:কামরুল হাসান

বন্যার্তদের দুটি আশ্রয় কেন্দ্র চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের পরিদর্শন

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৪, ৯:৪৪ পিএম
বন্যার্তদের দুটি আশ্রয় কেন্দ্র চাঁদপুর জেলা প্রশাসকের পরিদর্শন

শাহরাস্তি উপজেলায় বন্যাদুর্গত এলাকার ২ টি আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেছেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক।সোমবার দুপুরে শাহরাস্তি উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বন্যা কবলিত এলাকার শুচিপাড়া ডিগ্রী কলেজ ও উঘারিয়া ইউসিসি উবির আশ্রয় কেন্দ্র ২ টি পরিদর্শন করেন তিনি।

এ সময় চাঁদপুর জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: কামরুল হাসান ওইসব কেন্দ্রে আশ্রিত বানভাসি বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করে তাদের খোঁজখবর নেন। একই সঙ্গে আশ্রিত জনগনের অভাব অভিযোগ শুনে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এ সময় তিনি বলেন, আমরা আপনাদের দুর্ভোগের বিষয়ে অবগত রয়েছি এবং সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছি। ওই হিসেবে প্রশাসন বন্যার্তদের জনদুর্ভোগ লাঘবে ত্রাণ ও আশ্রয়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ওই কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে তিনি সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে এ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শাহরাস্তি উপজেলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: ইয়াসির আরাফাত,উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা চৌধুরী,শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ সবুজ, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হাবিবুর রহমান পাটোয়ারী ,পঞ্চনগর উবির প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম, চাঁদপুর যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি আলী হোসেন মন্টু,ইউপি বিএনপি’র সভাপতি আলী আকবর বেপারী, গণমাধ্যম কর্মী, প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, কর্মচারী, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সম্প্রতি ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী জেলায় সঙ্গে চাঁদপুরের বিভিন্ন উপজেলার নিম্মাঞ্চল প্লাবিত হয়।এতে করে শাহরাস্তি উপজেলার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত ডাকাতিয়ার নদীর পানি বিপদ সীমা অতিক্রম করে প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নের নিম্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে জনদুর্ভোগ পৌঁছেছে চরমে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ সবুজ জানান,ইতমধ্যে শাহরাস্তি উপজেলার দশটি ইউপি ও একটি পৌরসভার বন্যার্তদের জন্য ১৬৭ টি আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপন করা হয়।ওই কেন্দ্রগুলোতে ৫শ ৭৭ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। ওই হিসেবে আশ্রিত মানুষের সংখ্যা ৩ হাজারের অধিক হবে।

উপজেলা প্রশাসনের তরফ থেকে বন্যার্ত মানুষদেরকে ৪৩শ প্যাকেট শুকনো খাবার, ১০০ শ’ মেট্রিক টন চাউল, নগদ এক লক্ষ ৬০ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া উপজেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক বন্যা পরিস্থিতি ও আশ্রয় কেন্দ্রগুলো পর্যবেক্ষণে রেখেছে।

Model Hospital

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।