বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করায়

কচুয়ায় ইউপি সদস্য হারিছ বেপারীর বিরুদ্ধে ভূক্তভোগী গ্রামবাসীর প্রতিবাদ সভা

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৭:৪৮ পিএম
কচুয়ায় ইউপি সদস্য হারিছ বেপারীর বিরুদ্ধে ভূক্তভোগী গ্রামবাসীর প্রতিবাদ সভা

কচুয়ায় ইউপি সদস্য হারিস বেপারীর দেয়া মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদ সভায় ভূক্তভোগী ইউনিয়ন যুবদলের সাধারন সম্পাদক আয়নাল হক প্রধান।

কচুয়া উপজেলার ২নং পাথৈর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হারিস বেপারী ও তার সমর্থিত সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতে বিভিন্ন সময়ে নির্যাতনের শিকার ও এলাকাবাসীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগে প্রতিবাদ সভা করেছে ভূক্তভোগী গ্রামবাসী । শনিবার দুপুরে মধুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে ভূক্তভোগী পাথৈর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারন সম্পাদক মো. আয়নাল হক প্রধানের উদ্যোগে এ প্রতিবাদ সভা করা হয়।

মধুপুর বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা সমিতির সভাপতি মো. সফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, পাথৈর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারন সম্পাদক আয়নাল হক প্রধান,ভূক্তভোগী মামলা ও হামলার শিকার শরীফ হোসেন,সেলিম বেপারী,নজরুল ইসলাম বাবুল,জিয়াউর রহমান,মিজানুর রহমান প্রধান,মকবুল হোসেন,স্বপন বেপারী,তারেক,মাসুদ,শাহিন,সজিব,আয়েশা,নুরজাহান ও রহিমা বেগম প্রমুখ।

প্রতিবাদ সভায় ভূক্তভোগীরা বলেন, বিগত শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলে ইউপি সদস্য হারিস বেপারী তার দলবল দিয়ে এলাকাবাসীর উপর প্রভাব খাটিয়ে নানা ভাবে নির্যাতন চালিয়ে হয়রানি করে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। এলাকার নিরীহ যুবক ও বৃদ্ধকে মারধর সহ নানান ভাবে মামলা দিয়ে নির্যাতন চালান বলে জানান তারা। বিশেষ করে গত ৯ জুলাই রাতে তার নিজ গ্রাম থেকে মোটরসাইকেল যোগে গৌরিপুর যাওয়ার পথে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় আহত হয়ে এলাকাবাসীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন।

এছাড়া ইউপি সদস্য হারিস বেপারীর হাতে নির্যাতনের শিকার স্বপন বেপারী বলেন, আমি গৌরিপুর এলাকায় থাকি। হারিস বেপারী তার লোকজন দিয়ে আমাকে মারধর করেছে এবং বর্তমানে বিভিন্ন ভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন। এমনকি ইউপি সদস্য হারিস বেপারী এলাকায় বিভিন্ন উপকারভোগীদের বয়স্ক,প্রতিবন্ধি,বিধবা ভাতা দেওয়ার নামে মানুষের কাছ থেতে অসাধু উপায় টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তুলে ধরেন ভুক্তভোগী পরিবারগন।

Model Hospital

তাই ইউপি সদস্য হারিস বেপারীর দেয়া মিথ্যা মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে এবং প্রশাসনের মাধ্যমে তদন্তপূর্বক তাদের ওইসব হয়রানি থেকে এলাকাবাসী মুক্তি পেতে জোর দাবি জানান।
হারিস বেপারী বক্তব্য জানতে তার এলাকায় গেলে, তাকে না পেয়ে তার ব্যবহারিত মোবাইলে ফোনে ফোন করলে মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভাব হয়নি।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।