মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে টপসওয়েল বিক্রির দায়ে জমিনের মালিককে ৫০ হাজার টাকা অর্থ দন্ড

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শনিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৪, ৮:৫১ পিএম
শাহরাস্তিতে টপসওয়েল বিক্রির দায়ে জমিনের মালিককে ৫০ হাজার টাকা অর্থ দন্ড

শাহরাস্তিতে আলী এরশাদ (৫৫) নামে এক জমিনের মালিককে ভুমির টপসওয়েল বিক্রির দায়ে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড অথবা ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার দুপুরে গণমাধ্যমকে উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

উপজেলার সূচীপাড়া দক্ষিণ ইউপি’র নরিংপুর হাই কামতা কৃষি  ফসলি জমিতে ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার দায়ে প্রশাসন এ অভিযান পরিচালনা করে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওই গ্রামের শরবত আলী ভূঁইয়ার পুত্র আলী এরশাদ (৫৫) অনুমোদনহীন ড্রেজার মেশিনে দিয়ে ফসলি কৃষি জমিনের টপসওয়েল বিক্রি করছিল।

Model Hospital

ওই সময় স্থানীয়দের মাধ্যমে উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি অবহিত হয়ে (ভারপ্রাপ্ত) উপজেলা নিবার্হী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এক্সিকিউটিব নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা চৌধুরী ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে সেখানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন।

ওই ঘটনায় অভিযুক্ত জমিনের মালিক আলী এরশাদ (৫৫) দোষী সাব্যস্ত করেন। পরে তাকে বালু মহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ সংশোধিত ৭ (ক)অপরাধে ১৫ দ্বারা ৫০০০০, টাকা অর্থ প্রদান করেন, অনাদায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অবৈধ ড্রেজার মেশিনটি জব্দের নির্দেশ প্রদান করেন।

এ অভিযান প্রসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রশাসনের তরফ থেকে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে স্থানীয় কৃষকদের ফসলি জমিনের টপসওয়েল কাটা রক্ষা পাবে। এতে জমিনের উর্বরতা বজায় থাকবে। এ প্রসঙ্গে শাহরাস্তি উপজেলা প্রশাসন জানান, অভিযুক্তদের বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ বালু ব্যবসায়ী ও অনুমোদনহীন ড্রেজার মেশিনে দিয়ে ফসলি কৃষি জমিনের টপসওয়েল বিক্রি ও আগ্রাসনকারীদের  বিরুদ্ধে  বিভিন্ন আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করে আসছেন।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।