বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ার সুন্দর আলী গ্রে’প্তার

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৪, ৬:৩৩ পিএম
কচুয়ার সুন্দর আলী গ্রে’প্তার

কচুয়ায় আলোচিত আলমগীর হোসেনের হত্যা মামলার প্রধান আসামী জামাল হোসেন সুন্দরী আলী গ্রেফতার।

কচুয়ায় করইশ গ্রামের স’মিল মিস্ত্রী আলমগীর হোসেনের হত্যাকান্ডের মূল আসামী জামাল হোসেন সুন্দর আলী (৬৫) কে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রাকিবুল ইসলামের সমন্বয়ে কচুয়া থানার চৌকস পুলিশ দল কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রাকিবুল ইসলাম জানান,আলমগীর হোসেনের হত্যাকান্ডের পর থেকে প্রধান আসামী জামাল হোসেন উরফে সুন্দর আলী গ্রেফতার এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে চলে যান। সে একাধিক বার নিজ অবস্থান পরিবর্তন করাসহ ছদ্মবেশে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে লুকিয়ে ছিলো। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারসহ বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিক্তিতে আসামীর সঠিক অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর চান্দিনা উপজেলায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম.আবদুল হালিম জানান,কচুয়ার আলোচিত আলমগীর হত্যা মামলার মূল আসামী জামাল হোসেন সুন্দর আলীকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার এজহার ভুক্ত বাকী আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে পুলিশী অভিযান অব্যাহত আছে।

Model Hospital

উল্লেখ্য,গত ৬ আগস্ট বাড়ির সীমানা দেওয়াকে কেন্দ্র করে কচুয়া পৌরসভা করইশ গ্রামে স’মিল মিস্ত্রী আলমগীর হোসেনকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে জামাল হোসেন উরফে সুন্দর আলীর নেতৃত্বে ৮/১০জন লোকজন মিলে অর্তকিত হামলা চালিয়ে ঘটনাস্থলে তাকে হত্যা করে। ২৩ শে আগস্ট আলমগীরের স্ত্রী খালেদা বেগম বাদী হয়ে কচুয়া থানায় জামাল হোসেন উরফে সুন্দর আলীকে প্রধান আসামী করে ৪ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০৮।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।