বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ায় সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেনটভুক্ত ৫ আসামি গ্রেফতার

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৪, ৬:৫৬ পিএম
কচুয়ায় সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেনটভুক্ত ৫ আসামি গ্রেফতার

কচুয়ায় সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত ৫ আসামি গ্রেফতার।

কচুয়া থানার পুলিশ সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেনটভুক্ত পলাতক ৫ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার ও বুধবার এই অভিযান পরিচালিত করে ওই আসামিদের গ্রেফতার করা হয়। আটককৃতদের চাঁদপুর জেলা বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

থানা সূত্রে জানা গেছে,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি ) এম আব্দুল হালিমের নির্দেশে এসআই (নিরস্ত্র)জয়নাল আবেদীন, রাশেদুজ্জামান ও এএসআই সুফল তালুকদার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে। এসময় মাদকদ্রব্য আইন ২০১৮ সনের দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জি আর ২০২/২২ আসামি উপজেলার রামপুর গ্রামের জুলফে আলীর ছেলে মামুন হোসেন,

ডুমুরিয়া গ্রামের মৃত আলী আজগরের ছেলে জি আর ৪৬/২১ আসামি শাহীন প্রকাশ শাহীন,৬ মাসের কারাদন্ডার জি আর ১৩৬/১২ আসামি করইশ গ্রামের হেদায়েতুল্লাহর ছেলে সোহাগ মিয়া,গ্রেফতার পরোনায়াভুক্ত জি আর ২৩৮/১৯ আসামি ডুমুরিয়া গ্রামের আলী আজগরের ছেলে শাহীন,বৈদেশিক কর্মসংস্থা আইনে সি আর ৫৫০/২৪ মামলার আসামি শ্রীরামপুর গ্রামের অহিদুর রহমানের স্ত্রী হালিমা আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আব্দুল হালিম বলেন,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন,আর্থসামাজিক উন্নয়ন সহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ অভিযান অব্যহত থাকবে। সেই সাথে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর হারানো ভাবমূর্তি ফিরিয়ে এনে কচুয়া থানাকে একটি মডেল থানা গড়ার চেষ্টা অব্যাহত রাখবো।

Model Hospital

তিনি আরো বলেন, ইতিমধ্যে বেশকিছু ডাকাত, চোর, মাদক ও সাজাপ্রাপ্তসহ বিভিন্ন অপরাধমূলকে সাথে জড়িত সুনির্দিষ্ট আসামি গ্রেফতার করা হয়েছে। বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।