বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তি চেড়িয়ারা স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের সাথে ম্যানেজিং কমিটির মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২২, ২:৫১ পিএম
শাহরাস্তি চেড়িয়ারা স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের সাথে ম্যানেজিং কমিটির মতবিনিময়

শাহরাস্তির চেড়িয়ারা স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের সাথে কলেজ প্রতিষ্ঠাকালীন অন্যতম সদস্য (আইটিসি)স্বওাধিকারী শিক্ষানুরাগী ইকবাল হোসেন ভুইঁয়া।

নোমান হোসেন আখন্দ : শাহরাস্তির সূচীপাড়া উওর ইউনিয়নের শোরশাকে অবস্থিত চেড়িয়ারা স্কুল এন্ড কলেজের একাদশ শ্রেনীতে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের সাথে শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

১৫ ই জানুয়ারী শনিবার সকাল ১১ টায় চেড়িয়ারা স্কুল এন্ড কলেজ মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভা অনষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী সমাজসেবক ও কলেজ প্রতিষ্ঠাকালীন অন্যতম সদস্য মেসার্স ইকবাল ট্রেডিং কর্পোরেশন ( আইটিসি) স্বওাধিকারী মো: ইকবাল হোসেন ভ্ইুয়াঁ, সমাজসেবক হুমায়ুন কবির মজমদার, রেদোয়ান হোসেন সেন্টু, স্কুল এন্ড কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মো: ফরিদ উদ্দিন মজুমদার, মো: হারুন ষষ্টি, মো: নূরুননবী, মো: আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, চেড়িয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো: নাজির আহম্মেদ প্রমুখ।

শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময়কালে অতিথিবৃন্দ বলেন, শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে তোমাদের শিক্ষার প্রতি আন্তরিক মানসিকতার প্রয়োজন। কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যাবস্যয় নিয়ে এ প্রতিষ্ঠানের সুনাম অক্ষুন্ন রাখবে । নিয়মানুবতির্তার মাধ্যমে সুশৃঙ্খল জীবনযাপন একজন শির্ক্ষার্থীকে ভালো ফলাফলে আত্ববিশ্বাসী করে তোলে। তোমরা এগিয়ে যাবে দুর্বার গতিতে, ভালো ফলাফল ও আধুনিক উন্নত শিক্ষায় আমাদের সকল ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে পুরো উপজেলায় ভালো ফলাফল ও শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানে পৌছে দিতে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার প্রতি আন্তরিক চেষ্টাই যথেষ্ট।

Model Hospital

উল্লেখ্য, এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের কথা চিন্তা করে অবহেলিত জনপদ ডাকাতিয়া নদীর দক্ষিন পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী চেড়িয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়কে (চেড়িয়ারা স্কুল এন্ড কলেজে) রপান্তর করেন সংসদ সদস্য ও সাবেক স্ব-রাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর (অব:) রফিকুল ইসলাম বীর উওম। কলেজ প্রতিষ্ঠায় সার্বিক সহয়োগিতা করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সুচীপাড়া উওর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: মোস্তফা কামাল মজুমদার ও বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মেসার্স ইকবাল ট্রেডিং কর্পোরেশন ( আইটিসি) স্বওাধিকারী মো: ইকবাল হোসেন ভুইয়াঁ। মনোরম ও উন্নত পরিবেশে একঝাকঁ তরুন অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলীর সমন্বয়ে চেড়িয়ারা স্কুল এন্ড কলেজে একাদশ শ্রেনীতে ৮৪ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে ও মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহন করে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।