শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে দলীয় গঠনতন্ত্র ভঙ্গের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২২, ৩:২৩ পিএম
বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিবের বিরুদ্ধে দলীয় গঠনতন্ত্র ভঙ্গের অভিযোগ
হাজীগঞ্জ প্রতিনিধি : হাজীগঞ্জ উপজেলার ৭নং বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে দলীয় গঠনতন্ত্র ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে। ইতোমধ্যে তিনি নিজকে সাধারণ সম্পাদক দাবি করে বিভিন্ন ওয়ার্ড কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন। বড় হাস্যকর বিষয় হলো ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক মো. মাহমুদ খান কে একটি কমিটিতে দপ্তর সম্পাদক হিসেবে রাখা হয়েছে। এমন বিষয়টি নিয়ে ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের মাঝে চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে। তাকে নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনাও। এমনকি তাদের কমিটি অনুমোদনের পর স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন পদধারী নেতা ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি থেকে পদত্যাগও করেছেন।
জানা যায়, গত বছরের ১১ ফেব্রুয়ারী উপজেলা যুবদলের আহবায়ক আকতার হোসেন দুলাল, সদস্য সচিব কাজী জসিম উদ্দিন ও সিনিয়র যুগ্ন-আহবায়ক মো. হুমায়ন কবির সুমন স্বাক্ষরিত পত্রে বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক কমিটি অনুমোদন দেন। ওই কমিটিতে মাহমুদ খান আহবায়ক ও সাইফুল ইসলামকে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন দেন। এ কমিটি অনুমোদন হওয়ার পর পরই দলীয় ভাবে ব্যঘাত ঘটে ইউনিয়ন রাজনীতিতে। এমনকি উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মরহুম নাজির আহমেদ বাবু এবং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম মাষ্টার দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
বর্তমানে এই ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম নিজকে সাধারণ সম্পাদক দাবি করে এবং (দাবিকৃত) সাধারণ সম্পাদকের সীল ও স্বাক্ষর ব্যবহার ইউনিয়নের ওয়ার্ড কমিটিগুলো অনুমোদন দিচ্ছেন।
দেখা যায়, গত ৮ জানুয়ারী সাইফুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদকের সীলযুক্ত (স্বাক্ষরিত) ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড যুবদলের ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন। এই ওয়ার্ড কমিটিতে ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক মাহমুদ খান এরও সীল স্বাক্ষর রয়েছে। আবার সেই ওয়ার্ড কমিটিতে ইউনিয়ন আহবায়ক হয়েছেন দপ্তর সম্পাদক। এমন হাস্যকর কমিটি নিয়ে ইউনিয়নের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মাঝে চলছে আলোচনা-সমালোচনা।
ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে কথা হলে তারা বলেন, এই কমিটি হলো পকেট কমিটি, এই কমিটির ইউনিয়নে কোন ভুমিকা নাই। এই বিতর্কিত যুবদলের পকেট কমিটি ইউনিয়ন বিএনপিসহ অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা কেউই মেনে নেয়নি এবং এই যুবদলের কমিটিকে মাদকাসক্ত কমিটি হিসেবে ইউনিয়নে পরিচিত। এমনকি যিনি ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক তিনি কি করে তার নিজ ওয়ার্ড কমিটিতে দপ্তর সম্পাদক হিসেবে স্থান পান!এটি কি হাস্যকর বিষয় নয়কি?
এ প্রসঙ্গে ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক মাহমুদ খান এর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মো. কাজী জসিম উদ্দিনের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমাদের কাছে কেউ লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিব।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital