বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন

নেচে-গেয়ে ছাত্রলীগের অফিস গুঁড়িয়ে দিলেন শিক্ষার্থীরা

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৫, ১১:৪৩ এম
নেচে-গেয়ে ছাত্রলীগের অফিস গুঁড়িয়ে দিলেন শিক্ষার্থীরা

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কার্যালয় ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে আব্দুল জব্বার মোড়ে অবস্থিত ছাত্রলীগের কার্যালয়টিতে ভাঙচুরের পর বুলডোজার দিয়ে পুরোপুরি ধূলিস্যাৎ করে ফেলা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়ে, শুক্রবার রাতে শিক্ষার্থীরা প্রথমে লাঠি ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে অফিস ভবনটি ভাঙতে শুরু করেন। পরে একটি বুলডোজারের সাহায্য ভবনটি পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দেয়।

এ সময় উপস্থিত শতাধিক শিক্ষার্থী নেচে-গেয়ে ও বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

Model Hospital

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শহীদ শামসুল হক হলের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘এর মাধ্যমে বাকৃবিতে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতেই ক্যাম্পাসে তাদের কবর রচিত হলো। যে বা যারা ছাত্রলীগকে পুনর্বাসন করার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা শহীদ শামসুল হক হলের সাধারণ শিক্ষার্থীরা কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিচ্ছি।’

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম বলেন, ‘শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত প্রক্টর অফিসেই ছিলাম। এ ঘটনার ব্যাপারে আমি জানতাম না। ছাত্রলীগের কেউ কোনো অভিযোগও করেনি।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের মধ্যে সব স্থাপনাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তি। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপনা নষ্ট করার অধিকার কেউ রাখে না।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।