বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

মডেল লক্ষীপুর বিশাল গণসমাবেশে শেখ মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন 

আগস্ট তৈরি হয়েছে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য, চাঁদাবাজি আর লুটপাটের জন্য নয়! 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫, ১০:৩৩ পিএম
আগস্ট তৈরি হয়েছে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য, চাঁদাবাজি আর লুটপাটের জন্য নয়! 

লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের গণ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন ইসলামী আন্দোলনের জেলা সভাপতি শেখ মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা সভাপতি জননেতা শেখ মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বলেন ৫ অগাস্ট তৈরি হয়েছে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য, চাঁদাবাজি আর লুটপাটের জন্য নয়!
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রেখে নির্বাচনের জন্য একটি লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করবে জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবে ,জনগণের সরকার দেশে প্রতিষ্ঠিত হবে এটাই ছিল জুলাই অভ্যুত্থানের মূল লক্ষ্য। আমাদের মূল দাবি হলো নির্বাচন পদ্ধতির পূর্ণ সংস্কার গতানুগতিক নির্বাচন পদ্ধতি নয় বরং (PR)বা সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতিতে আগামী নির্বাচন হতে হবে।
আওয়ামী ফ্যাসিস্ট দেশ ত্যাগ করার পর একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ সুযোগে রাষ্ট্র সংস্কারের কাজে যারা বাধা হয়ে দাঁড়াবে তাদের বিরুদ্ধে দেশবাসী পুনরায় ফুঁসে উঠবে এবং তাদের সমুচিত জবাব দিবে ।
আগামী নির্বাচন এ দেশবাসীর জন্য একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে । জাতী আজ ঐক্যবদ্ধ, তিপ্পান্ন বছর অনেক শাসকের হাত বদল হয়েছে অনেক শাসকের শাসনও দেখেছে ।এখন আর পুরাতন সেই ঢোল বাজিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। নির্বাচনের আগেই ক্ষমতার নেশায় একটি দল মাতাল হয়ে সারাদেশে দলীয় প্রভাব বিস্তার করার জন্য নিজ দলের মধ্যে হানাহানি মারামারি বাড়ি ঘর আগুন আর দখলদারির সেই নোংরা রাজনীতি করে যাচ্ছে।
সাধারণ খেটে খাওয়া নিরীহ মানুষ আজ শঙ্কিত অবস্থায় জীবন যাপন করছে। ইউনিয়ন পরিষদ সহ সকল জায়গায় একটি দল আদিপত্য বিস্তার করে চলেছে ।আমি মনে করি বিগত ১৫ বছর মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। বর্তমানে কোন দলীয় সরকার ক্ষমতায় নেই, তাই সকল দলকে সমানভাবে মূল্যায়ন করতে হবে ।কোন দল কতটুকু বড় হয়েছে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে তা প্রমাণিত হবে।
অতএব কোন ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ইসলামী আন্দোলন সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সাথে যদি বৈষম্য করা হয় তাহলে ঐক্যবদ্ধ ভাবে আবার নব্য সেই জালেমদের প্রতিহত করা হবে ইনশাআল্লাহ।
লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের গণ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন ইসলামী আন্দোলনের জেলা সভাপতি শেখ মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন।
আমরা মনে করেছিলাম আওয়ামী ফ্যাসিস্ট বিরোধী সকল রাজনৈতিক শক্তিগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে একটি মানবিক বৈষম্যহীন নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলবো কিন্তু আজ তার কোন লক্ষণ আমরা দেখছি না। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছি। তাই ইসলামকেই আগামী রাষ্ট্র ক্ষমতায় নিতে হবে। এছাড়া জাতি শান্তি ও মুক্তির পথ দেখাবেনা। এ ব্যাপারে জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ। কারণ ইসলাম পরীক্ষিত একটি আদর্শ। ইসলাম ক্ষমতায় আসলে হানা হানি মারামারি চাঁদাবাজি লুটপাট জুলুম নির্যাতন মাদক শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে।
তাই, ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তির জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে ইসলামের সেই সু-মহান আদর্শকে বিজয়ী আদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তাই দল মত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর পতাকা তলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১০নং মডেল লক্ষীপুর ইউনিয়ন শাখা কর্তৃক আয়োজিত বিশাল গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।
লক্ষীপুর ইউনিয়ন ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা মনিরুজ্জামান এর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মোঃ মনির হোসেন দেওয়ানের পরিচালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শাহ জামাল গাজী সোহাগ, চাঁদপুর সদর উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি ডাক্তার মোঃ বেলাল হোসেন, জেলা শ্রমিক আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মুহিবুল্লাহ, যুব আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক শেখ মুহাম্মাদ হাবীবুর রহমান, সদর উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা সাব্বির আহমেদ, লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন ইসলামী আন্দোলনের উপদেষ্টা এ কে মোক্তার হোসাইন।
এছাড়াও সমাবেশে ইসলামী আন্দোলন, যুব আন্দোলন ও ছাত্র আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।