রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়েই বিদ্যালয়ের মাঠ ঝাড়ু দিচ্ছে শিক্ষার্থীরা

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫, ৯:৪৫ পিএম
স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়েই বিদ্যালয়ের মাঠ ঝাড়ু দিচ্ছে শিক্ষার্থীরা

ফরিদগঞ্জের দক্ষিণ কড়ৈতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে মাঠ ঝাড়ু দিচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

শ্রেণি শিক্ষা চলকালিন সময়ে শিশুরা হয় শিক্ষকদের কথা শুনবেন, না হলে খেলাধূলায় মাতোয়ারা থাকবেন। কিন্তু তা না করে প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয়ের মাঠ ঝাঁড়ু দিচ্ছে শিশু শিক্ষার্থীরা। ঘটনাটি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ কড়ৈতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের।
রোববার (১৯ জানুয়ারি২০২৫) সকাল সাড়ে ১১ টায় বিদ্যালয়টিতে গিয়ে এই দৃশ্য দেখা গেছে। যদিও এই বিষয়ে জানতে চাইলে নির্দেশদাতা প্রধান শিক্ষক কোন সদোত্তর দেননি।
এ পরিস্থিতি দেখে বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন মানুষদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়টির মাঠে উড়ছে ধূলাবালি, শিক্ষার্থীদের হাতে নেই হ্যান্ড গ্লাভস, মুখে নেই মাস্ক। প্রধান শিক্ষকের নির্দেশনা মোতাবেক কোমলমতি শিক্ষার্থীরা মাঠ ঝাড়ু দিচ্ছে। শ্রেণি শিক্ষা রেখে প্রধান শিক্ষকের নির্দেশ তারা এই কাজ করছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. ইয়াকুব মিয়া, নুরুল ইসলামসহ আরো কয়েকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সবে মাত্র বছর শুরু হয়েছে। এখনো বইয়ের থেকে নতুন ঘ্রাণ যায়নি। কিন্তু এ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কাণ্ডজ্ঞানহীনের মতো ধূলাবালিতে স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা না ভেবে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দিয়ে মাঠ ঝাড়ু দেয়াচ্ছে, যা অনুচিত।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক বলেন, বিগত সরকারের আমলেও বিদ্যালয়ের এই প্রধান শিক্ষক স্বেচ্ছাচারিতার মধ্যদিয়ে বিদ্যালয়টি চালিয়েছেন। এখনো তার স্বেচ্ছাচারিতা যায়নি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, পরিচ্ছনতা কার্যক্রম সরকারি নির্দেশনা আছে। ক্লাস চলাকালিন সময়ে শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে মাঠ পরিস্কারের বিষয়ে তাকে কোন প্রকারের অনুশোচনা করতে দেখা যায়নি বা সদোত্তর দেননি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মুজাম্মেল হোসেন বলেন, শিশুরা ধূলাবালি গ্রহণের কারণে এলার্জি, শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন প্রকারের রোগ ব্যাধির আশঙ্কা রয়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শিরিন সুলতানা বলেন, শিক্ষার্থীদের দিয়ে স্কুল মাঠ পরিস্কারের আমাদের কোন অনুমতি নেই। এ বিষয়ে আমি খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে আমৃত্যু কাজ করে যাবো : কবির চোকদার

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২৩ পিএম
রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে আমৃত্যু কাজ করে যাবো : কবির চোকদার

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুর সদরের ১৪নং রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কবির হোসেন চোকদার দলীয় নেতাকর্মী এবং এলাকার বিভিন্ন বংশের মুরব্বিদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন। রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের গোয়ালনগর পাটোয়ারী বাজার মাঠে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রাজরাজেশ্বর প্রধানীয়া বংশীয় মুরব্বি হাজী কাদির প্রধানীয়ার সভাপতিত্বে এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম চোকদারের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আইয়ুব আলী দেওয়ান, এলাকার মুরব্বি কাদির প্রধানীয়া, মোহাম্মদ মিজি, সাইদ দেওয়ান, আব্দুল বেপারী, আমু ঢালী, আলমগীর মাল, শফিকুল কুড়ালী, জাহাঙ্গীর সরকার, আবু বকর পাটোয়ারী, আবুল বকাউল, রহমান প্রধানিয়া, নাসির রাঢ়ি, নবীর দেওয়ান, সেকুল দেওয়ান, এবাদুল্লাহ দেওয়ান, হুমায়ুন বেপারী, ফজল সরকার, মুকবুল আসামি, মানিক ভুঁইয়া, ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বাবুল মিজি, ২নং ওয়ার্ডের সভাপতি বাবুল প্রধানীয়া, ৩নং ওয়ার্ডের সভাপতি হানিফ ঢালী, ৪নং ওয়ার্ডে সভাপতি সেকুল বেপারী, ৫নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের মাল, ৬নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা সরকার, ৭নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমদ, ৮নং ওয়ার্ডের সভাপতি হাফেজ দেওয়ানা, ৯নং ওয়ার্ডের সভাপতি বাচ্চু বেপারী প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, আগামী ইউপি নির্বাচনে আমরা একজন সৎ, আদর্শবান এবং দক্ষ ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করতে চাই। যিনি এই ইউনিয়নকে সত্যিকার অর্থে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে। সেই নেতৃত্বের সকল গুণাবলী আমরা ওই এলাকার কৃতি সন্তান কবির হোসেন চৌকদারের ভেতরে দেখছি। আমরা বিশ্বাস করি তিনি বাবা মায়ের মতোই একজন জনবান্ধব এবং যোগ্য জনপ্রতিনিধি হবেন। তাই দলের প্রতি অনুরোধ করবো আগামী আসন্ন ইউপি নির্বাচনে তাকে যেন দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

কবির হোসেন চোকদার তার বক্তব্যে বলেন, আমার বাবা-মা দুজনেই এই এলাকার জনপ্রতিনিধি ছিলেন। আজ পর্যন্ত তারা কেউ এলাকা ছেড়ে যাননি। আমিও আমার বাবা-মায়ের আদর্শকে ধারণ করে এলাকাবাসীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছি। এলাকার মানুষের সুখ দুঃখের দীর্ঘ সময় পাশে ছিলাম। জনপ্রতিনিধি হই বা না হই জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এলাকায় মানুষের পাশে থেকে তাদের সেবা করে যাব।

Model Hospital

তিনি আরো বলেন, আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আদর্শে বিশ্বাস করে বিএনপি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। ছাত্রদল, যুবদল এবং বিএনপির বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছি। দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম। রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে স্বক্রিয় ছিলাম। তাই আমি বিশ্বাস করি, আমার দল আগামী ইউনিয়ন নির্বাচনে আমাকে মূল্যায়ন করবে। এরপরে দল থেকে যে সিদ্ধান্ত নিবে সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েই আমি সামাজিক কাজ করে যাব। আমাদের অভিভাবক চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক ভাই রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের উন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গডে তোলার এই অগ্রযাত্রায় আমিও একজন সারথী হতে চাই। এজন্য আমি আপনাদের দোয়া, সমর্থন এবং ভালোবাসা কামনা করছি।

সভায় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, মহিলা দল, শ্রমিক দল সহ বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃত্ব এবং এলাকার মুরুব্বীরা উপস্থিত ছিলেন।