শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

রেলওয়ের রানিং স্টাফদের ধর্মঘট চলছে

ধর্মঘটের কারনে চাঁদপুর থেকে কোন ট্রেন ছেড়ে যায়নি, যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৫, ১২:৫১ এম
ধর্মঘটের কারনে চাঁদপুর থেকে কোন ট্রেন ছেড়ে যায়নি, যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ

মূল বেতনের সঙ্গে রানিং অ্যালাউন্স যোগ করে পেনশন এবং আনুতোষিক সুবিধা দেওয়ার দাবিতে রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারির ডাকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালে রেল ধর্মঘটে চাঁদপুর থেকে দুটি ট্রেনের একটিও ছেড়ে যায়নি। এতে করে চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছে কয়েক হাজার যাত্রী। টিকিট দিয়ে টাকা ফেরত নিয়েছেন বেশ কিছু যাত্রী।

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় চাঁদপুর স্টেশন মাস্টার মারুফ হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

চাঁদপুর স্টেশন ও চাঁদপুর কোর্ট স্টেশনে গিয়ে দেখাগেছে অনেক যাত্রী ধর্মঘটের বিষয় না জেনেই স্টেশনে এসেছেন। আবার অনেকেই আগের দিনের নেয়া টিকিটের টাকা ফেরৎ নেয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন।

টিকিট কাউন্টারে কথা বলে জানাগেছে, টিকেট বিক্রি কাউন্টার বড় স্টেশন থেকে দুটি টিকিটের দাম ৬৬৮ টাকা এবং কালিবাড়ি কোর্ট স্শেন থেকে ১৫টি টিকিটের দাম ৪ হাজার ৩০০ টাকা ফেরৎ দেয়া হয়। আর অনলাইনে টিকিট নেয়া এবং টাকা ফেরতের তথ্য এই স্টেশন থেকে পাওয়া যায়নি।

Model Hospital

জানাগেছে, মঙ্গলবার ভোর ৫টায় আন্ত:নগর মেঘনা এক্সপ্রেস চট্রগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়নি এবং চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুরগামী সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসেনি।

দাবী আদায়ের জন্য কর্মবিরতির জন্য ডাক দিয়েছেন রেলওয়ের লাকো মাস্টার (ড্রাইভার), ট্রেন পরিচালক (গার্ড) ও টিটি (টিকেট পরিদর্শক)। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) রাত থেকে এ কর্মবিরতী তারা পালন করে যাচ্ছেন এসব কর্মচারিরা।

চাঁদপুরসহ এ পথের সকল স্থানে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ও রেলওয়ে পুলিশ তাদের সকল প্রকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে রেখেছেন বলে জানিয়েছেন চাঁদপুর রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ রাজিব কর (ওসি) ও নিরাপত্তা বাহিনীর উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহাদাত হোসেন।

চাঁদপুর স্টেশন মাস্টার মারুফ হোসেন জানান, তৃতীয় শ্রেনীর রেলওয়ে স্টাফদের কর্মবিরতি চলছে। চাঁদপুর থেকে প্রায় দুই শতাধিক যাত্রী ট্রেনের টিকিট ক্রয় করেও তাদের গন্তব্যে যেতে পারেনি। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ দিয়েছে যাত্রীদের টিকিটের টাকা ফেরত দিতে। ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীদের বাস যোগে তাদের গন্তব্যে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। রেলওয়ের রানিং স্টাফ ছাড়া বাকী স্টাফরা তাদের কর্মস্থলে কাজ করে যাচ্ছেন। এ ছাড়া চাঁদপুর স্টেশনে মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেন অবস্থান করছে। রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ও রেলওয়ে পুলিশ সকল নিরাপত্তা জোরদার করে তাদের দায়িত্ব পালন করে নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছেন।

এ বিষয়ে চাঁদপুর রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ রাজিব কর (ওসি) জানান,চাঁদপুরে যাতে যাত্রী হয়রানি নাহয়,যাত্রী যাতে নিরাপদে থাকতে পারে সে দিকে নজর রাখা হয়েছে। এ ছাড়া যাত্রীরা যাতে ক্ষুব্ধ হয়ে ট্রেন এবং স্টেশন ভাংচুর না’করে সে জন্য স্টেশন এলাকায় ব্যাপক পুলিশ সদস্য দিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে রাখা হয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital