বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তি পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় জনবল সংকট নিয়েই সেবা দিয়ে যাচ্ছেন কর্মীরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২২, ১২:০০ পিএম
শাহরাস্তি পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় জনবল সংকট নিয়েই সেবা দিয়ে যাচ্ছেন কর্মীরা
  • নরমাল ডেলিভারীতে আস্থা ফিরিয়ে আনছে স্থানীয় পরিবার পরিকল্পনা ♦
নিজস্ব প্রতিনিধি : চাঁদপুরের শাহরাস্তি পৌরসভার প্রাণ কেন্দ্রে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশ ঘেঁষেই অবস্থিত উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়। সরকারী এই দপ্তরটি নিজস্ব দপ্তরের ১০৭ জন কর্মীর বিপরীতে ৭০ জন কর্মী নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন নিভৃতে।
৯টি উপ কার্যালয়ের মাধ্যমে পুরো শাহারাস্তি জুড়ে প্রতিবছর প্রায় হাজার খানেক গর্ভবতী মহিলার সিজার বিহীন জন্মদানে অন্যান্য অবদান রাখছে প্রতিষ্ঠানটি। সীমিত খরচে ও দক্ষ জনবলের মাধ্যমে  চিকিৎসা সেবা প্রদানে ইতিমধ্যে শাহারাস্তিতে প্রশংসা যুগিয়েছে সরকারের এই অধিদপ্তরটি।
শাহরাস্তি জুড়ে ১০ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৯ টি উপ কার্যালয়ের মাধ্যমে ৯ জন উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসারের বিপরীতে ২ জন, ৯ জন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকার বিপরীতে ৮ জন, ৯জন আয়া ও পিয়ন পদের বিপরীতে ২/৩ জন লোক দিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে নিচ্ছেন দায়িত্বরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের ভাষ্যমতে, ২০২১ এ উপজেলার ১০ টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভায় ৯৫০ সন্তান জম্ম নিয়েছে। ২০১৯ এ জন্ম নিয়েছে ৯৩৪ জন। সরকারি হাসপাতাল, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পবিবার কল্যাণ কেন্দ্রে গর্ভবতী মায়েরা এসব শিশু সন্তান জম্ম দেন।
শাহরাস্তির মধ্যে চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রটি মডেল। ওই কেন্দ্রের পরিবার কল্যাণ পরিদর্শক ইকবাল হোসেন বলেন, অর্থ ও হয়রানি ছাড়াই নবজাতক ও প্রসূতিদের সার্বক্ষণিক সেবা দেওয়া হয়। গভীর রাতে এসেও সেবা পান প্রসূতিরা।
উপজেলা পরিবার ও পরিকল্পনা বিভাগের (অতি. দায়িত্ব) মোঃ মফিজুর রহমান বলেন, গর্ভবর্তী মা ও নবজাতকদের চিকিৎসায় আন্তরিকভাবে কাজ করা হচ্ছে। ১০টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের কর্মীরা নিয়মিত মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন। আমরা স্বাভাবিক প্রসবে উৎসাহিত করছি।

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় হাজীগঞ্জের শিক্ষকক জুয়েলক বাধ্যতামুলক ছুটি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৬ পিএম
প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করায় হাজীগঞ্জের শিক্ষকক জুয়েলক বাধ্যতামুলক ছুটি

চাঁদপুরের মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করায় তাকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। ওই শিক্ষকের নাম মোঃ জুয়েল তালুকদার। তার বাড়ী হাজীগঞ্জ উপজেলার মুকুন্দসার গ্রামে। তার পিতার নাম আলী আজম। মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বাংলা বিষয়ের শিক্ষক। এক বছর আগে অত্র বিদ্যালয়ে যোগদান করেন তিনি।

জানা গেছে, শিক্ষক জুয়েল তালুকদার তার নিজের ফেসবুক পেজে বিভিন্ন সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ব্যাঙ্গ করে এবং কুরুচিপূর্ণ ও সমালোচনামুলক একাধিক পোস্ট করেন ওই শিক্ষক। বিগত কয়েক মাস যাবৎ ‘জুয়েল তালুকদার ‘ নামের ফেসবুক আইডিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ছাড়াও বিএনপির সাবেক মহাসচিব বর্তমান মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছবি দিয়ে সরকারের সমালোচনা করেন তিনি।

বিষয়টি স্থানীয় বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলসহ এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নজরে আসলে ক্ষোভ ও উত্তেজনার সৃস্টি হয় এবং ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানান।

তাৎক্ষণিক মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং ওই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি কেএম ইশমাম বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে ডেকে নিয়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষক জুয়েল তালুকদারকে বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম থেকে বাধ্যতামুলক ছুটিতে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

Model Hospital

মতলব দক্ষিণ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মিরাজ মাহমুদ জিসান বলেন, ‘ওই শিক্ষক সরকারের সুবিধা ভোগ করে তার ফেসবুক পেজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যাবত কুরুচিপূর্ণ সমালোচনা করে আসছে। বিষয়টি আমাদের নজরে আসার পর উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে তিনি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেন।’

মতলব পৌর বিএনপির সভাপতি শোয়েব আহমেদ সরকার বলেন,‘ওই শিক্ষক মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার অন্তরালে সরকারের বিরুদ্ধে কটুক্তি করার অভিযোগে তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী জানান তিনি।’

ঘটনার সত্যতার স্বীকার করে জুয়েল তালুকদার বলেন, ‘আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি পরবর্তীতে ডিলিট করে দিয়েছি।’

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি কেএম ইশমাম বলেন, ‘শিক্ষককে বাধ্যতামুলক ছুটির পাশাপাশি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ২ কার্যদিসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।’