মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ার ১২০ বছরের বৃদ্ধ মায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন রফিকুল ইসলাম রনি

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৫, ১০:৫৯ পিএম
কচুয়ার ১২০ বছরের বৃদ্ধ মায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন রফিকুল ইসলাম রনি

কচুয়ার অসহায় বৃদ্ধ জায়েদা বেগমের পাশে দাঁড়িয়ে নগদ অর্থ প্রদান করছেন, কচুয়ার কৃতি সন্তান শিক্ষানুরাগী রফিকুল ইসলাম রনি'র একটি প্রতিনিধি দল।

কচুয়ার ১২০ বছরের বৃদ্ধ জায়েদা বেগম পাশে দাঁড়িয়েছেন, কচুয়ার কৃতি সন্তান ও বাংলাদেশ বিআরবি ক্যাবলস লিমিটেডের মার্কেটিং ডাইরেক্টর শিক্ষানুরাগী রফিকুল ইসলাম রনি।

বৃদ্ধ জায়েদা বেগম দুনিয়াতে স্বামী, সন্তান ও পরিবারের লোকজন না থাকায় জীবন যুদ্ধ সংগ্রামে দিন কাটাচ্ছেন।

বৃদ্ধ উপজেলার সাচার ইউনিয়নের হাতিরবন্দ গ্রামের মিয়াজি বাড়ির মৃত বস্কর আলীর স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, বৃদ্ধ জায়েদা বেগম স্বামী বস্কর আলীর মৃত্যুর পর স্বামীর ভালোবাসার মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার কারণে আর বিয়ে করেননি জায়েদা বেগম । যৌবন জীবনটা কাটিয়েছেন স্বামীর ভালোবাসা শ্রদ্ধা ও মায়ার বন্ধনে।

Model Hospital

বস্কর আলী ও বৃদ্ধ জায়েদা বেগমের দাম্পত্তি ঘরে একটি ছেলে থাকলেও অভাব অনটনে কারণে মাকে ছেড়ে ছেলের পরিবার নিয়ে জীবন কাটছে হিমশিমে। ছোট্ট একটি ঝুপড়ি ঘরে ১২০ বছরের বৃদ্ধা জায়েদা বেগমের জীবন কাটছে দুঃখ-কষ্টে ও সংগ্রামে। বেঁচে থাকার জন্য বৃদ্ধ জায়েদা বেগম জীবন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। বৃদ্ধ জায়েদা বেগমে সরকারি ও বেসরকারিভাবে কোন সহায়তা পাচ্ছেনা তেমন। থাকার জন্য একটি সরকারি গৃহ নির্মাণের প্রকল্প থেকে একটি ঘরের জন্য জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের কাছে গেলেও কেউ সাড়া দেননি তার ডাকে। এরকম পরিস্থিতিতে বৃদ্ধ জায়েদা বেগম জীবন সংগ্রাম নিয়ে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ হলে কচুয়ার কৃতি সন্তান , বাংলাদেশ বিআরবি ক্যাবলস লিমিটেডের মার্কেটিং ডাইরেক্টর ও শিক্ষানুরাগী রফিকুল ইসলাম রনির নজরে আসলে সে বৃদ্ধ মায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। গতকাল শুক্রবার শিক্ষানুরাগী রফিকুল ইসলাম রনির প্রতিনিধি একটি দল বৃদ্ধ জায়েদা বেগমের বাড়িতে গিয়ে কয়েক মাসের খাবারের জন্য বাজার ও ঝুড়ি ছোট্ট ঘরটি থেকে বৃদ্ধ জায়েদা বেগম স্বস্তিতে জীবন কাটার জন্য ঘর মেরামত করার জন্য নগদ অর্থ প্রদান করেন।

শিক্ষানুরাগী রফিকুল ইসলাম রনির মানবতার দৃষ্টি স্থাপন দেখে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।