বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

হাজীগঞ্জে দুই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, ৩:১৩ পিএম
হাজীগঞ্জে দুই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার

বিশেষ প্রতিনিধি : হাজীগঞ্জে রুনা আক্তার (২২) ও খাদিজা আক্তার বিথি (১৯) নামের দুই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ। সোমবার দিবাগত রাতে ও মঙ্গলবার সকালে এই দুই তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। রুনা উপজেলার হাটিলা পূর্ব ইউনিয়নের বেলঘর গ্রামের ইউসুফ আলীর স্ত্রী এবং খাদিজা আক্তার বিথি কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের জয়নাল আবেদীনের মেয়ে।

জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার হাটিলা পূর্ব ইউনিয়নের বেলঘর গ্রামের স্বামীর বাড়িতে রুনা আক্তার গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে তার শশুর ও শাশুড়ী। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরিক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে রুনা আক্তারের বাবার বাড়ির লোকজন হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে রুনাকে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ আনেন। পরে থানার উপ-পরিদর্শক মো. আল-আমিন নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। এরপর মঙ্গলবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চাঁদপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।

এ দিকে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় উপজেলার কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে বাবার বাড়িতে নিজ ঘরের আড়ার সাথে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে খাদিজা আক্তার বিথি। এরপর পরিবারের লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

Model Hospital

খবর পেয়ে হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক মো. মহসিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিহতের মরদেহ সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

নিহতের বাবা জানান, এক প্রবাসীর সাথে গত বছর মেয়ের বিবাহের কথা সম্পন্ন হয়েছে। ওই ছেলে আগামি ১০ তারিখ দেশে আসার কথা। আমরা সবাই (পরিবারের লোকজন) বিবাহের আনুসাঙ্গীক কেনাকাটা শুরু করেছি। আজ সকালে আমি হাজীগঞ্জ বাজারে আসার পর তার (মেয়ে) মারা যাওয়ার খবর জানতে পারি।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ জানান, দুই তরুণীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও ময়নাতদন্ত শেষে স¦-স্ব পরিবারের নিকট মরদেহ হস্তান্তর এবং পৃথক অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।