মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

সাংস্কৃতিক দলের সভাপতি  হুমায়ুন কবির বেপারী

জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়েই মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ মে, ২০২৫, ১০:০৮ পিএম
জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়েই মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ বলেছেন, জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়েই মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল। এ দেশ স্বাধীন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ২৯ মে নয়াপল্টনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়ার রহমানের ৪৬ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে বস্ত্র বিতরনের সময় তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুস সালাম আজাদ বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান ২৫ মার্চ এ দেশের জনগণকে একা করে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। ২৬ মার্চ জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা করে বসে থাকেন নাই। রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছেন। এক নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন জেড ফোর্স গঠন করেছিলেন। জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়েই মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল। এ দেশ স্বাধীন হয়েছে।
তিনি বলেন, আবার যখন দেশ দিশেহারা দেশের মানুষ দিশেহারা। দেশে গণতন্ত্র নাই শৃঙ্খলা নাই ঠিক তখনই শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এদেশের হাল ধরেন। দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। দেশের প্রতিটি সেক্টরে উন্নয়নের কাজ শুরু করেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা ছিল স্বৈরাচার এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে এরশাদকে পতন করেছেন দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। সেই দেশনেত্রী তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে শেখ হাসিনা। মিথ্যা মামলায় ছয় বছর ছেলে আটকে রাখে। আবার এদেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ করবে ফ্যাসিবাদ শেখ হাসিনাকে পতন করে।
এ সময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে অতীতে আমরা যেরকম ঐক্যবদ্ধ থেকে ফ্যাসিবাদ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি ঠিক তেমনি আগামীতেও ঐক্যবদ্ধ থেকে আগামীতে নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনার সরকারের বিরুদ্ধে বেশি বিদেশি ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তাই দ্রুত নির্বাচন দিন। দেশকে ষড়যন্ত্রমুক্ত করুন।
জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের সভাপতি ও ফরিদগঞ্জের কৃতি সন্তান হুমায়ুন কবির বেপারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন বিএনপির সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক রেজাবুদৌলাহ চৌধুরী, প্রজন্ম একাডেমীর সভাপতি কালাম ফয়েজী, মহিদুল ইসলাম মামুন, শরিফুল ইসলাম, আমিনুল হক শাহীন, সৈয়দ মোজাম্মেল হোসেন শাহিন,মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম সভাপতি ফারুক হোসেন সহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।