মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা আজম খানের পক্ষ থেকে

জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে আশিকাটিতে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ মে, ২০২৫, ৭:৪৪ পিএম
জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে আশিকাটিতে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত
বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও চাঁদপুর জেলা বিএনপির উপদেষ্টা সদস্য আজম খানের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩১ মে) বাদ আসর চাঁদপুর সদর উপজেলার ২নং আশিকাটি ইউনিয়নের চাঁদখার বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এ দোয়ার আয়োজন সম্পন্ন হয়।
উক্ত মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর সদর উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোঃ শাহাদাত হোসেন খান।
এসময় তিনি জিয়াউর রহমানের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেন, শহীদ জিয়া দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। তার সততা, দেশপ্রেম, ভালোবাসার নৈতিকতাকে বুকে ধারণ করতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর পৌর ১৪নং ওয়ার্ডের ইউনিট বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাচ্চু মিজি, শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি ও ইউপি সদস্য কবির হোসেন রনি, আশিকাটি ইউনিয়নের বিএনপি নেতা মোঃ হেলাল উদ্দিন, শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সহ সভাপতি সাজ্জাদুল হক সোহাগ, আশিকাটি ইউনিয়ন যুবদলের সহ সভাপতি মোঃ মোতালেব খান, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোশারফ হোসেন খান সাব্বির সহ বিএনপি অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ ও মুসল্লীগণ।
এসময় মরহুম জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফেরাত কামনা ও বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উক্ত জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মোঃ আব্দুর রহমান।
পরে মিলাদে অংশ নেয়া মুসল্লীদের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।