মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

মতলব উত্তরে ওসি ও ইউএনও বরাবর যুবদলের স্মারকলিপি প্রদান

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫, ৮:৩৯ পিএম
মতলব উত্তরে ওসি ও ইউএনও বরাবর যুবদলের স্মারকলিপি প্রদান
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় বিএনপির মিছিলে হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ওসি ও ইউএনও বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
রবিবার (১৫ জুন) সকালে উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রাশেদুজ্জামান টিপু কর্তৃক স্বাক্ষরিত এ স্মারকলিপি দাখিল করেন যুবদল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৯ জুন ২০২৫ইং মতলব উত্তর উপজেলার ৫নং সুর্গাপুর ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর বাজার এলাকায় দলের ঈদ পুনর্মিলনীর অংশ হিসেবে দলীয় শান্তিপূর্ণ মিছিলে কিছু দুঃস্কৃতকারী অতর্কিত হামলা করে।
ওই হামলায় মতলব উত্তর উপজেলা যুবদলের প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ ফয়সাল আহমেদ সোহেল ও যুগ্ম আহ্বায়ক মঞ্জুর আহমেদ মামুনসহ যুবদলের একাধিক নেতৃবৃন্দ গুরুতর আহত হন। হামলাকারীরা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মঞ্জুর আহমেদ মামুনের একটি চোখ উপড়ে ফেলে।
পরবর্তীতে মতলব উত্তর থানায় একটি মামলা দাখিল করা হয়। মামলা নং- ০৮, জিআর নং- ৩২৯, তারিখ- ১০/০৬/২০২৫ইং। কিন্তু আমরা গভীর উদ্যোগের সহিত লক্ষ্য করছি যে, উক্ত মামলার আসামীরা এমন নৃশংস ঘটনার পরও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
বাদীসহ আহত অন্যান্যরা নেতাকর্মীদের হুমকি ধমকি দিচ্ছে। এমতাবস্থায়, আমরা আমাদের নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে চরমভাবে শঙ্কিত। সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে গ্রেফতার করার জন্য আবেদন করছি।
এসময় উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রাশেদুজ্জামান টিপুর নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান সাগর, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নুরুল হুদা ফয়েজী, যুগ্ম আহ্বায়ক জয়নাল পাটোয়ারী পিনুসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।