মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

জানাজা ও দাফন সম্পন্ন

ইসলামী আন্দোলন নেতার বাবার ইন্তেকালে জেলা নেতৃবৃন্দের শোক

প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫, ৯:০৬ পিএম
ইসলামী আন্দোলন নেতার বাবার ইন্তেকালে জেলা নেতৃবৃন্দের শোক
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ৭নং তরপুরচন্ডী ইউনিয়ন সহ-সভাপতি মুহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুসের বাবা জহিরুল ইসলাম ফকু ১৪ জুন শনিবার বিকাল ৩.৩০টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় চাঁদপুর ফেমাস হসপিটালে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন।
মরহুমের ইন্তেকালে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান ও সেক্রেটারি কেএম ইয়াসিন রাশেদসানী। শোকবার্তায় নেতৃদ্বয় বলেন, মরহুম জহিরুল ইসলাম ফকু একজন দ্বীনদার আল্লাহয়ালা মানুষ ছিলেন। তিনি সাধাসিধে জীবনযাপন করতেন।
সদা হাসোজ্জল ও সদালাপী, অমায়িক লোক ছিলেন মরহুম জহিরুল ইসলাম। মরহুমের ইন্তেকালে তরপুরচন্ডীবাসি একজন অভিভাবক হারালো। যা পূরণ হবার নয়।
নেতৃদ্বয় মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে কায়মনোবাক্যে দোয়া করেন এবং তার রেখে যাওয়া ৩ ছেলে ২ মেয়ে, স্ত্রীসহ শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
এদিকে মরহুম জহিরুল ইসলাম ফকুর জানাজা ১৪ জুন রাত ১০টায় মরহুমের বাড়ির সামনে মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় ইমামতি করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার অন্যতম উপদেষ্টা মাওলানা মোস্তফা আল-হাসান।
জানাজা ও দাফনকাজে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মাকসুদুর রহমান, সহ-সভাপতি মাওলানা গাজী মুহাম্মদ হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা হেলাল আহমাদ, সদর উপজেলা সহ-সভাপতি মাওলানা কাউসার আহমাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক  মাওলানা ফরহাদ হোসাইন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম আহসান হাবিব, ইউনিয়ন ইসলামী আন্দোলন সভাপতি মারুফ সরদার, সেক্রেটারি মাওলানা জহিরুল ইসলাম, জয়েন্ট সেক্রেটারি কাশেম খান, ইউনিয়ন যুব আন্দোলনের সভাপতি মারুফ চোকদারসহ এলাকার গণ্যমান্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও এলাকার সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ মুসলমান।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।