বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

স্ত্রীর মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে স্বামীর মরদেহ নিয়ে গেল প্রতিপক্ষ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫, ২:০২ পিএম
স্ত্রীর মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে স্বামীর মরদেহ নিয়ে গেল প্রতিপক্ষ

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় মুদি ব্যবসায়ী তাজুল ইসলামের মরদেহ অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। সোমবার (৪ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার পান্থশালা ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানান নিহতের স্ত্রী।

তাজুল ইসলাম (৪৫) উপজেলার সায়দাবাদ বালুচর এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয়ভাবে মুদি দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। গত ২১ জুলাই সায়দাবাদে দুটি গ্রুপ—হানিফ মাস্টার ও এরশাদ মিয়ার অনুসারীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে এক নারী নিহত হন। একই ঘটনায় তাজুল ইসলাম প্রতিপক্ষের হাতে গুরুতর আহত হন, তার পায়ে গুলি করা হয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি রোববার (৩ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টার দিকে ঢাকার হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। পরদিন সকালে তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুন মরদেহ নিয়ে রায়পুরার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তবে ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তার মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে মরদেহটি জোরপূর্বক নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মর্জিনা বলেন, “আমার স্বামী কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। শুধুমাত্র দোকান থেকে চাঁদা না দেয়ায় তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এমনকি মৃত্যুর পরও মরদেহ ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে। আমি এই অন্যায়ের বিচার চাই।”

Model Hospital

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মরদেহটি নিয়ে যাওয়া হয় সায়দাবাদের প্রবাসী সেন্টু মিয়ার বাড়িতে। সেখানে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের চেষ্টা চলছিল। খবর পেয়ে রায়পুরা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

রায়পুরার বাঁশগাড়ি তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) আতিয়ার রহমান বলেন, “আমরা মরদেহটি মামার বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছি। সেখানে কোনো স্বজনকে পাওয়া যায়নি। মরদেহের এক পায়ে প্লাস্টার ছিল। অস্ত্র ঠেকিয়ে ছিনিয়ে নেয়ার বিষয়টি আমাদের জানা নেই, তবে তদন্ত চলছে।”

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে হানিফ মাস্টারপন্থী জসিম উদ্দিন বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই।”

উল্লেখ্য, বিগত এক বছরে সায়দাবাদ এলাকায় হানিফ মাস্টার ও এরশাদ মিয়ার অনুসারীদের মধ্যে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনায় কমপক্ষে ৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন, যার মধ্যে ৭ জন এরশাদপন্থী এবং ১ জন হানিফপন্থী বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital