রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ায় রাস্তা সংস্কার করে আলোচনায় প্রবাসী কাউছার হোসেন

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৬:৪৭ পিএম
কচুয়ায় রাস্তা সংস্কার করে আলোচনায় প্রবাসী কাউছার হোসেন

কচুয়ায় নিজ অর্থয়ানে রাস্তা সংস্কার করে দেয়া প্রবাসী বিএম কাউছার হোসেন।

কচুয়া উপজেলার কাদলা ইউনিয়নের নোয়াদ্দা ও দোঘরের যাতায়াতের রাস্তাটি দীর্ঘদিনের ভোগান্তি ও দুর্ভোগ লাঘবের লক্ষ্যে নিজস্ব অর্থায়নে সংস্কার করে দেন সমাজসেবক ও উপজেলা বিএনপি আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক প্রবাসী বিএম কাউছার হোসেন।

বুধবার শ্রমিক ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে প্রায় ৫০০ ফুট কাঁচা রাস্তায় ‘ইটের আদলা’ ও ‘বালু মাটি’ ফেলে মেরামত করে দিয়ে এলাকায় ও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে প্রশংসায় ভাসছেন তিনি।

জানা গেছে,এই সড়কটি কচুয়া-মতলব দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষের চলাচলের রাস্তা। প্রতিনিয়ত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ হাটবাজারে মানুষ যাতায়াত করেন এই রাস্তা দিয়ে। বর্তমানে রাস্তাটির সংস্কার করায় পথচারী ও ছোট বড় যানবাহনের চালকসহ স্থানীয়দের ভোগান্তি অনেকটা দূর হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান,দীর্ঘদিন ধরে দুই উপজেলার সীমান্তবর্তীর দুইটি গ্রামের লোকজন অনেক ভোগান্তি ও দুর্ভোগের শিকার হয়ে আসছে। বিগত দিনে জনপ্রতিনিধিরা অন্যান্য রাস্তা সংস্কার করে দিলেই,এ রাস্তায় ৩ যুগ ধরে উন্নয়ন ও সংস্কার হয়নি।

Model Hospital

এই রাস্তাটি বিভিন্ন যায়গায় ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে বৃষ্টির মৌসুমে এই এলাকার লোকজনে এ রাস্তা চলাচল করতে গিয়ে অনেকে ছোট বড় দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। আমাদের কষ্ট ও জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে আমাদের এলাকার কৃতি সন্তান বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ প্রবাসী বিএম কাউসার হোসেন নিজ অর্থায়নে ৫০০ ফুট রাস্তা সংস্কার করে দেন। বর্তমানে এই রাস্তা দিয়ে মানুষ এখন উন্মুক্ত ও নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারছে।

তারা আরো জানান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ প্রবাসী বিএম কাউছার হোসেন এলাকায় অসহায়, দরিদ্র ও নিরীহ মানুষের পাশে থাকেন সব সময়। তিনি বিভিন্ন সামাজিক কাজের পাশাপাশি, এলাকার উন্নয়নমূলক কাজে ভূমিকা রাখেন।

অটোরিক্সা চালকরা জানান, রাস্তায় বড় বড় খানাখন্দক সৃষ্টি হওয়ায় তাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সিএনজি ও অটো চালাতে হতো। এতে যাত্রীদেরও খুব কষ্ট হতো। বিশিষ্ট সমাজসেবক ও প্রবাসী বিএম কাউছার হোসেন তাঁর নিজ অর্থয়ানে রাস্তায় ইটের আদলা ও বালু মাটি ফেলে দেয়ায় আমাদের খুবই উপকার হয়েছে।

বিএম কাউছার হোসেন বলেন, এলাকার মানুষের জনদুর্ভোগ ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে রাস্তাটি সংস্কার করে দেই। বিশেষ করে এলাকার মানুষ ভালো থাকলে আমি ভালো থাকি।

রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে আমৃত্যু কাজ করে যাবো : কবির চোকদার

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২৩ পিএম
রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে আমৃত্যু কাজ করে যাবো : কবির চোকদার

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুর সদরের ১৪নং রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কবির হোসেন চোকদার দলীয় নেতাকর্মী এবং এলাকার বিভিন্ন বংশের মুরব্বিদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন। রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের গোয়ালনগর পাটোয়ারী বাজার মাঠে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রাজরাজেশ্বর প্রধানীয়া বংশীয় মুরব্বি হাজী কাদির প্রধানীয়ার সভাপতিত্বে এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম চোকদারের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আইয়ুব আলী দেওয়ান, এলাকার মুরব্বি কাদির প্রধানীয়া, মোহাম্মদ মিজি, সাইদ দেওয়ান, আব্দুল বেপারী, আমু ঢালী, আলমগীর মাল, শফিকুল কুড়ালী, জাহাঙ্গীর সরকার, আবু বকর পাটোয়ারী, আবুল বকাউল, রহমান প্রধানিয়া, নাসির রাঢ়ি, নবীর দেওয়ান, সেকুল দেওয়ান, এবাদুল্লাহ দেওয়ান, হুমায়ুন বেপারী, ফজল সরকার, মুকবুল আসামি, মানিক ভুঁইয়া, ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বাবুল মিজি, ২নং ওয়ার্ডের সভাপতি বাবুল প্রধানীয়া, ৩নং ওয়ার্ডের সভাপতি হানিফ ঢালী, ৪নং ওয়ার্ডে সভাপতি সেকুল বেপারী, ৫নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের মাল, ৬নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা সরকার, ৭নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমদ, ৮নং ওয়ার্ডের সভাপতি হাফেজ দেওয়ানা, ৯নং ওয়ার্ডের সভাপতি বাচ্চু বেপারী প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, আগামী ইউপি নির্বাচনে আমরা একজন সৎ, আদর্শবান এবং দক্ষ ব্যক্তিকে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করতে চাই। যিনি এই ইউনিয়নকে সত্যিকার অর্থে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে। সেই নেতৃত্বের সকল গুণাবলী আমরা ওই এলাকার কৃতি সন্তান কবির হোসেন চৌকদারের ভেতরে দেখছি। আমরা বিশ্বাস করি তিনি বাবা মায়ের মতোই একজন জনবান্ধব এবং যোগ্য জনপ্রতিনিধি হবেন। তাই দলের প্রতি অনুরোধ করবো আগামী আসন্ন ইউপি নির্বাচনে তাকে যেন দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

কবির হোসেন চোকদার তার বক্তব্যে বলেন, আমার বাবা-মা দুজনেই এই এলাকার জনপ্রতিনিধি ছিলেন। আজ পর্যন্ত তারা কেউ এলাকা ছেড়ে যাননি। আমিও আমার বাবা-মায়ের আদর্শকে ধারণ করে এলাকাবাসীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেছি। এলাকার মানুষের সুখ দুঃখের দীর্ঘ সময় পাশে ছিলাম। জনপ্রতিনিধি হই বা না হই জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এলাকায় মানুষের পাশে থেকে তাদের সেবা করে যাব।

Model Hospital

তিনি আরো বলেন, আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আদর্শে বিশ্বাস করে বিএনপি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। ছাত্রদল, যুবদল এবং বিএনপির বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছি। দলের দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম। রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে স্বক্রিয় ছিলাম। তাই আমি বিশ্বাস করি, আমার দল আগামী ইউনিয়ন নির্বাচনে আমাকে মূল্যায়ন করবে। এরপরে দল থেকে যে সিদ্ধান্ত নিবে সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েই আমি সামাজিক কাজ করে যাব। আমাদের অভিভাবক চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক ভাই রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের উন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গডে তোলার এই অগ্রযাত্রায় আমিও একজন সারথী হতে চাই। এজন্য আমি আপনাদের দোয়া, সমর্থন এবং ভালোবাসা কামনা করছি।

সভায় বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, মহিলা দল, শ্রমিক দল সহ বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃত্ব এবং এলাকার মুরুব্বীরা উপস্থিত ছিলেন।