বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় তৌহিদুল ইসলাম হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন একজন আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, ৪:১৫ পিএম
কচুয়ায় তৌহিদুল ইসলাম হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন একজন আটক

আটককৃত শুকুর আলম।

মোঃ রাছেল : তৌহিদুল ইসলামকে কারা হত্যা করেছে, কেন হত্যা করেছে, হত্যার রহস্য উদঘাটন হবে কিনা, দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্ত মূলক শান্তি হবে কিনা এসব প্রশ্নের ঝড় বয়ে যাচ্ছে কচুয়া বাসীর মধ্যে।

কচুয়ায় তৌহিদুল ইসলাম হত্যা মামলায় মোঃ শুকুর আলম (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

আটককৃত শুকুর আলম হত্যার শিকার তৌহিদুল ইসলামের বাড়ির পাশের বক্তার বাড়ির মোঃ রফিকের পুত্র। কচুয়া পৌরসভাধীন কড়ইয়া গ্রামের তৌহিদুল ইসলাম গত বৃহস্পতিবার রাতে নিখোঁজ হয়। পরের দিন শুক্রবার বিকালে তার বাড়ি থেকে প্রায় ৪শ’ গজ দক্ষিণে উদরা খালে কচুরিপানার ভেতর ক্রিকেট বল খুজতে গিয়ে তার মরদেহ ভাসমান অবস্থায় দেখতে পায়।

এব্যাপারে তৌহিদুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা বেগম কচুয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলা নং ২৩/৫৭ কচুয়া থানার ওসি (তদন্ত) মো. ছানোয়ার হোসেন আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান- শুকুর আলমকে সন্দেহ ভাজন আসামী হিসেবে আটক করা হয়েছে। গতকাল শনিবার তাকে কোটে সোপর্দ করার মধ্য দিয়ে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। জিজ্ঞাসা বাদের জন্য শুকুর আলমের রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে।

Model Hospital

এদিকে তৌহিদুল ইসলামের নিকট আত্বীয় স্বজনদের আহাজারী যেন থামছে না। গতকাল শনিবার বিকালে তার বাড়ি গেলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে তার মা মমতাজ, আশেক আলী আশু, স্ত্রী সেলিনা, বড় পুত্র হাসাইন (১২), মেজো পুত্র হোসাইন (৮), ছোট পুত্র আব্দুল রহমান ও বোন আমেনা বেগম (২৭) অঝরে কাঁদতে থাকে। সাংবাদিকদের জড়িয়ে ধরে বলে আমাদের তৌহিদকে এনে দিন, তৌহিদকে ছাড়া তার সন্তানদের বাঁচানো যাবে না। তাদের বুক ফাঁটা কান্নায় বাতাস ভারি হয়ে হয়ে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।