সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুর-৩ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রিক্সা প্রতীকে নির্বাচনী গণসংযোগ

আলেম ওলামারা দুর্নীতি করেন না, দেশের মানুষ ইসলামিক দলকে ক্ষমতায় দেখতে চায় : মাও. লিয়াকত হোসাইন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:৫৯ পিএম
আলেম ওলামারা দুর্নীতি করেন না, দেশের মানুষ ইসলামিক দলকে ক্ষমতায় দেখতে চায় : মাও. লিয়াকত হোসাইন
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর সদর ও হাইমচর) আসনে রিক্সা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা লিয়াকত হোসাইন বলেছেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরেও বাংলাদেশের মানুষের কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন আজও পূরণ হয়নি। রাষ্ট্র ক্ষমতা ভোগ করা রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের স্বার্থে বিভিন্ন বিষয়ে মানুষে মানুষে শুধু বিভাজন তৈরি করেছে। তারা দুর্নীতি করে বিদেশে টাকা পাচার আর বেগম পাড়া করেছে। অথচ এদেশের মানুষের দারিদ্র্যতা দূর করতে পারেনি, নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে পারেনি, সমাজে কিংবা রাষ্ট্রে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করেনি।

১১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার চাঁদপুর শহরের বিভিন্ন এলাকায় রিক্সা প্রতীকে নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মাওলানা লিয়াকত হোসাইন আরো বলেন, স্বাধীনতার পর ঘুরে ফিরে কয়েকটি দল দেশের রাষ্ট্রক্ষমতা ছিল। ‌তারা কেউ দেশকে দারিদ্রতা, সন্ত্রাস, মাদক, অথবা দুর্নীতি থেকে মুক্ত করতে পারেনি। তাই দেশের মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। তারা ইসলামিক দলকে রাষ্ট্র ক্ষমতা দেখতে চায়। কারণ আলেম ওলামারা দুর্নীতি করেন না। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী, টেন্ডারবাজি, জমি দখল কিংবা মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত না। আলেম-ওলামারা দেশ পরিচালনা দায়িত্ব পেলে, জনগণের সেবক হবে, শাসক নয়। তিনি একটি ইনসাফভিত্তিক ন্যায় রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রিক্সা মার্কায় ভোট কামান করেন।

এইদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মাওলানা লিয়াকত হোসাইন দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে চাঁদপুর শহরের পৌরসভার ১৪নং ওয়ার্ডের বাবুরহাট, মতলব রোড, বিসিক এবং বাসস্ট্যান্ড বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক নির্বাচনী গণসংযোগ করেন। এর মধ্যে সকালে এসময় তিনি প্রতিটি পাড়া মহল্লা এবং হাটবাজারে সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে কুশল বিনিময় করে রিকশা প্রতীকে ভোট চেয়ে লিফটে তুলে দেন। তার এই নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগকালে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি আলেম-ওলামা ও সুধীসমাজের অনেককে অংশগ্রহণ করেন।

Model Hospital

এই সময় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চাঁদপুর জেলা শাখার জয়েন সেক্রেটারি মাওলানা  আব্দুস সালাম, মাওলানা মনিরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি নূরে আলম, প্রচার সম্পাদক হাফেজ আবু ইউসুফ, অর্থ সম্পাদক হাফেজ কারী রশিদ আহমদ, সদস্য হাফেজ আবুল কাশেম, শহর শাখার সেক্রেটারি মাওলানা নুরুল ইসলাম, সদর উপজেলার সেক্রেটারি হাফেজ আব্দুল কাদের, শহর শাখার সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহমান, অফিস সম্পাদক হাফেজ ইসমাইল, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা তারেক হাসান, সহ-সভাপতি মাওলানা ফজলুল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মোজাম্মেল হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ১৪ নং ওয়ার্ডের সভাপতি মাওলানা আবু তাহের, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুর রহমান, মাওলানা বেলাল হোসেনসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।