সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

সব ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে : মোস্তফা খান সফরী

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৯:৫৩ পিএম
সব ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে : মোস্তফা খান সফরী

শাহরাস্তি উপজেলার সূচিপাড়ায় ২৩নং লোটরা বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী পথসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মোস্তফা খান সফরী।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা খান সফরী বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান যে সিদ্ধান্ত দিয়েছে, তাতে একমত হয়ে জাতীয়তাবাদী শক্তির সব পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে। কারণ ব্যক্তি কোন বিষয় নয়, আমাদের কাছে বিষয় হলো ধানের শীষ প্রতীক। এটি বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতীক। তাই নেতাকর্মীদের প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে, সব ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষকে বিজয়ী করুন। কারণ আগামী নির্বাচনে বিএনপি হেরে গেলে, বাংলাদেশ হেরে যাবে।

১২ ডিসেম্বর শুক্রবার চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর ) এবং চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনের ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি এসব কথা বলেন। এইদিন মোস্তফা খান সফরী বাদ জুমা থেকে রাত পর্যন্ত দুটি আসনে দলীয় এবং সামাজিক কর্মকান্ড অংশগ্রহণ করে ধানের শীষের পক্ষে ক্যাম্পেইন করেন। এরমধ্যে দুপুরে চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন লঞ্চঘাট এলাকা, দাসপাড়া, জাফরাবাদ ও মেরকাটিজ রোড় এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন। এরপর বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনের ধানের শীষের বিভিন্ন পথসভায় অংশগ্রহণ করেন।

শাহরাস্তি উপজেলার সূচিপাড়ায় ২৩নং লোটরা বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী পথসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মোস্তফা খান সফরী।

শাহরাস্তি উপজেলার সূচিপাড়ায় ২৩নং লোটরা বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী পথসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মোস্তফা খান সফরী বলেন, বিএনপি এ দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। এদেশের মানুষ সব সময় বিএনপি’র প্রতি আস্থা এবং ভালোবাসা রেখেছে। কারণ বিএনপি ক্ষমতায় এলে রাষ্ট্রের উন্নয়ন হয়, মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়। নারী শিক্ষার সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি পায়। তরুণদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়।

তিনি আরো বলেন, আজকের ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হকের এই পথসভা জনসভায় রূপ নিয়েছে। এটি প্রমাণ করে তিনি এই এলাকায় কতটা জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। আপনাদের এলাকার এই কৃতি সন্তান গোটা চাঁদপুর জেলায় বিএনপির নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি জেলা বিএনপির নির্বাচিত সভাপতি ছিলেন। স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের আস্থাভাজন হিসেবে তাঁকে চাঁদপুর-৫ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন দিয়েছেন। তিনি নির্বাচিত হলে দল থেকে তাকে আরো বড় পুরস্কার দেয়া হবে। এখন আপনাদের দায়িত্ব হলো ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হককে সবোর্চ্চ ভোটে নির্বাচিত করা।

Model Hospital

এসময় মোস্তফা খান সফরীর সাথে উপস্থিত ছিলেন, চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক রাফিউস শাহাদাত ওয়াসিম পাটোয়ারী, ঢাকা বারের আইনজীবী ও বিএনপি নেতা এ.এইস.এম আশরাফুল ইসলাম আশু, সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল ফর বাংলাদেশ মোঃ সাইফুল ইসলাম মিয়াজী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুজ্জামান হাসনাত, জেলা যুবদলের কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক আবু আহমেদ, বিএনপি নেতা শুকুর গাজী, যুবদল নেতা মোঃ পিন্টু, সোহাগ বকাউলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।