রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

শাহতলী জিলানী চিশতী কলেজে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:০৭ পিএম
শাহতলী জিলানী চিশতী কলেজে মহান বিজয় দিবস উদযাপন

শাহতলী জিলানী চিশতী কলেজের আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি'র বক্তব্য রাখেন, কলেজের আজীবন দাতা সদস্য এবং দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী।

চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী শাহতলী জিলানী চিশতী কলেজ, জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয়, উত্তর শাহতলী জোবাইদা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ২৯নং উত্তর শাহতলী যোবাইদা বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৩০নং মধ্য শাহতলী কাদেরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যৌথ আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৬ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) সকাল ১১টায় কলেজ মিলনায়তনে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো: কামরুল হাসান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কলেজের আজীবন দাতা সদস্য এবং দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী।

প্রধান অতিথি কলেজের আজীবন দাতা সদস্য এবং দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী বক্তব্যে বলেন, দলমত নির্বিশেষে সারা বাংলাদেশে আজকে মহান বিজয় দিবস পালন হচ্ছে। দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। এ দিবসটি জাতীয় জীবনে অবিস্মরণীয় দিন। অনেক স্বল্প সময় অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অনেক রক্ত ঝরিয়ে আমরা স্বাধীন ভূখণ্ড পেয়েছি। সারা বিশ্বে এটি বিস্ময়। স্বাধীনতার সুফল আমরা ভোগ করছি। অনেক ক্ষেত্রে আমরা সাফল্য অর্জন করেছি যা ঈশ্বণীয়।

তিনি বলেন, প্রতিনিয়ত অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে দেশটি এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদেরকে দেশ প্রেমিক হতে হবে। দেশের স্বার্থে কাজ করতে হবে। বিজয় দিবসের তাৎপর্য নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে। স্বাধীনতা একটি জাতির অমূল্য সম্পদ। স্বাধীনতাকে এবং এই বিজয়কে অর্থবহ করতে আমাদের সকলকে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। যারা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করছি।

Model Hospital

জিলানী চিশতী কলেজের সহকারি অধ্যাপক মো: জহিরুল ইসলাম খান মুরাদের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, উত্তর শাহতলী জোবাইদা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক মো: শাহাদাৎ হোসেন, ২৯নং উত্তর শাহতলী যোবাইদা বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আবুল কালাম আজাদ, জিলানী চিশতী কলেজের সহকারি অধ্যাপক মাওলানা ছোহাইল আহমাদ চিশতী, সহকারী অধ্যাপক মো: জিয়াউর রহমান, সহকারি অধ্যাপক মো: হাবিবুর রহমান, সিনিয়র প্রভাষক মো: মানিক মিয়া, প্রভাষক মো: শাহাদাৎ হোসেন, প্রভাষক মো: মাহবুবুর রহমান, লাইব্রেরী শিক্ষক নাছরীন আক্তার, শরীরচর্চা শিক্ষক হালিমা আক্তার, জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষিকা ফাহিমা জাহান, সিনিয়র শিক্ষিকা রাবেয়া বেগম, সহকারি শিক্ষক লুৎফুর রহমান, সহকারি শিক্ষক বিপুল চন্দ্র নন্দী, সহকারি শিক্ষক মো: নাসির উদ্দিন মোল্লা, সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা শহিদুল ইসলাম, সহকারি শিক্ষক মো: রবিউল আউয়াল খান, উত্তর শাহতলী জোবাইদা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়ল শিক্ষিকা মেহেরুন্নেছা, সহকারি শিক্ষক দীপঙ্কর দে, সহকারি শিক্ষক মো: নেছার আহমেদ খান, দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার বার্তা সম্পাদক মাওলানা আহম্মদ উল্ল্যাহ, জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারি মো: মোস্তফা কামাল, কলেজ অফিস ইনচার্জ মো: রানা সরকার, উত্তর শাহতলী জোবাইদা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কম্পিউটার অপারেটর মাওলানা মামুন হোসাইন।

আলোচনা সভা শেষে দোয়া ও মিলাদের আয়োজন করা হয়। দোয়া-মিলাদ ও মুনাজাত পরিচালনা করেন জিলানী চিশতী কলেজের সহকারি অধ্যাপক মাওলানা ছোহাইল আহমাদ চিশতী।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য রাখেন, জিলানী চিশতী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো: কামরুল হাসান। তিনি বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষনা করেন।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।