রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

আমার ভাবনায় বাংলাদেশ’ জাতীয় রিল–মেকিং প্রতিযোগিতা

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:২৪ পিএম
আমার ভাবনায় বাংলাদেশ’ জাতীয় রিল–মেকিং প্রতিযোগিতা
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দেশ গড়ার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তরুণ প্রজন্মসহ সর্বস্তরের মানুষের ভাবনা ও সৃজনশীলতা তুলে ধরতে ‘আমার ভাবনায় বাংলাদেশ’ শীর্ষক জাতীয় রিল–মেকিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এ উদ্যোগের মাধ্যমে রাষ্ট্রগঠন, নীতি–পরিকল্পনা ও সামাজিক অগ্রগতির বিষয়ে জনগণের সরাসরি মতামত সংযুক্ত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এই পরীপত্রের বিষয়টি শাহরাস্তি উপজেলা বিএনপির দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।
আয়োজকদের মতে, বিএনপির প্রণীত দেশ গড়ার পরিকল্পনা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নাগরিকদের সৃজনশীল অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এ প্রতিযোগিতা। রিলের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা তাঁদের দৃষ্টিতে উন্নয়ন, অধিকার ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা উপস্থাপন করতে পারবেন।
অংশগ্রহণের নিয়মাবলি
প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে আগ্রহীরা নির্ধারিত ১১টি থিমের যেকোনো একটির ওপর সর্বোচ্চ ১ মিনিট দৈর্ঘ্যের রিল তৈরি করে Facebook, Instagram, YouTube বা TikTok–এ প্রকাশ করতে পারবেন। রিল প্রকাশের সময় #BangladeshFirst হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করতে হবে এবং ‘Bangladesh Nationalist Party–BNP’ ফেসবুক পেজে ইনবক্সে রিলের লিংক পাঠাতে হবে।
প্রতিযোগিতার থিম
ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, শিক্ষা, পরিবেশ, আইন ও বিচার, ক্রীড়া, ইসলাম ও মূল্যবোধ, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং ‘আমি যেমন দেশ চাই’—এসহ গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক বিষয়গুলো থিম হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
মূল্যায়ন ও পুরস্কার
রিল মূল্যায়নে ৩০ শতাংশ জনমত (পাবলিক চয়েস) এবং ৭০ শতাংশ জুরি বোর্ডের নম্বর বিবেচনা করা হবে। বিষয়বস্তুর উপস্থাপন, সৃজনশীলতা ও সামাজিক প্রভাবের ওপর ভিত্তি করে বিজয়ী নির্ধারিত হবে। সেরা ১০ জন বিজয়ীকে পুরস্কৃত করার পাশাপাশি তারেক রহমানের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতার সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
সময়সূচি ও যোগাযোগ
প্রতিযোগিতার জমাদানের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ থেকে ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫। বিস্তারিত নীতিমালা ও তথ্য জানতে নির্ধারিত কিউআর কোড স্ক্যান করা অথবা আয়োজকদের হটলাইনে যোগাযোগ করা যাবে।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘আমার ভাবনায় বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতাটি তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও নাগরিক অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ভবিষ্যতমুখী বাংলাদেশ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।