রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দেশের শান্তি কামনায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান মমিনুল হকের

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৯:৪০ পিএম
খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দেশের শান্তি কামনায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান মমিনুল হকের
শাহরাস্তিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি ও সুস্বাস্থ্য কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) উপজেলার বিজয়পুর, নাহারা, বেরনাইয়া ও খিলা বাজার এলাকায় উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন এবং স্থানীয় গ্রামবাসীর যৌথ আয়োজনে পৃথকভাবে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
দোয়া ও মোনাজাতে প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব লায়ন ইঞ্জিঃ মোঃ মমিনুল হক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোসহ দলের প্রয়াত নেতৃবৃন্দের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং যেকোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা পরিহার করা সকলের দায়িত্ব। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়া করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সৌদি আরব প্রবাসী চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ ফখরুল ইসলাম বিলাসের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আলী আজগর মিয়াজির সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন—উপজেলা বিএনপির সভাপতি আয়েত আলী ভূঁইয়া, সহ-সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ মোজাহের হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেলিম পাটোয়ারী লিটন, যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল হোসেন, সাবেক আহ্বায়ক বেলায়েত হোসেন সেলিম, হাজীগঞ্জ পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক (সাবেক এমপি এম এ মতিনের একমাত্র পুত্র) খালেদ আহমেদ মিঠু,মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিন এমএসসি, উপজেলা যুবদলের  সদস্য সচিব এহতেশামুল হক গণি, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক জাকির হোসেন নয়ন, যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব হাসান বাবলু, সদস্য সচিব আলী আজগর মোল্লা, যুগ্ম সম্পাদক আদনান নোমান, ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার এবিএম পলাশ, সাধারণ সম্পাদক আজগর হোসেন মিয়াজি, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাসুদ হোসেন, সদস্য সচিব মোয়াজ্জেম হোসেন শিপন, ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ হেলাল উদ্দিন দুলাল, রায়শ্রী দক্ষিণ ইউপি বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার, সহ-সভাপতি হেমায়েতুল ইসলাম সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান, যুবদলের সভাপতি মোহাম্মদ মাহবুব আলম, সাধারণ সম্পাদক আঃ আউয়াল, সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নজরুল ইসলাম সোহাগ, সিনিয়র সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম দিদার, সাধারণ সম্পাদক রাসেল, ছাত্রদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বাপ্পি, সাধারণ সম্পাদক হাবিব ইব্রাহিমসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।
উল্লেখ্য, চারটি দোয়া মাহফিলে উপস্থিত পুরুষ ও নারীরা বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় বিশেষ মোনাজাত করেন। পাশাপাশি দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় দোয়া করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও অংশগ্রহণ করেন।
সভাপতি তার বক্তব্যে প্রবাসে থেকেও দলের প্রতি তার অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করেন এবং বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসা ও আরোগ্য কামনায় সবার কাছে দোয়া চান।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।