রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

শহীদ উসমান হাদীর স্মরণে চাঁদপুর জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:০৮ পিএম
শহীদ উসমান হাদীর স্মরণে চাঁদপুর জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁদপুর জেলা শাখার উদ্যোগে শহীদ শরিফ উসমান হাদীর শাহাদাত কবুলিয়াতের জন্য দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা বিল্লাল হোসাইন মিয়াজী।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁদপুর জেলা শাখার উদ্যোগে শহীদ শরিফ উসমান হাদীর শাহাদাত কবুলিয়াতের জন্য আলোচনা সভা ও দোয়া মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০ডিসেম্বর শনিবার বাদ মাগরিব স্থানীয় এক মিলনায়তনে দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিশের সুরার সদস্য ও চাঁদপুর জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা বিল্লাল হোসাইন মিয়াজী। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, শহীদ শরীফ উসমান হাদী ছিলেন অন্যায় ও জুলুমের বিরুদ্ধে আপসহীন এক সাহসী কণ্ঠস্বর। তার শাহাদাত আমাদের ন্যায়, সত্য ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার পথে আরও দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যেতে অনুপ্রেরণা জোগায়। তিনি বলেন, শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে পারে না, তাদের আদর্শ ধারণ করেই একটি ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে হবে। শহীদ শরীফ উসমান হাদীর আত্মত্যাগ প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সাহস জোগাবে এবং সত্যের পথে অবিচল থাকার শিক্ষা দেবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর এডভোকেট মোঃ মাসুদুল ইসলাম বুলবুল, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জননেতা এডভোকেট মোঃ শাহজাহান মিয়া। আরো উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, হারুন আর রশিদ, শহর জামায়াতের আমীর এডভোকেট মোঃ শাহজাহান খান, সদর উপজেলা আমীর মাওলানা আফসার উদ্দিন মিয়াজী সহ জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দ।

দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা বিল্লাল হোসাইন মিয়াজী। দোয়া অনুষ্ঠানে উপজেলা ও পৌরসভার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।