রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

মনোনয়নপত্র সংগ্রহকালে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী লায়ন মো. হারুনুর রশিদ

নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ফরিদগঞ্জ আসনে বিএনপির বিজয় নিশ্চিত করবে

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:৩৫ পিএম
নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ফরিদগঞ্জ আসনে বিএনপির বিজয় নিশ্চিত করবে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ আসনের জন্য মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ব্যাংকিং ও রাজস্ব বিষয়ক সম্পাদক সাবেক এমপি লায়ন মো. হারুনুর রশিদ।
রোববার (২১ ডিসেম্বর ২০২৫) বিকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রির্টানিং কর্মকর্তা সেটুৃৃ কুমার বড়ুয়ার হাত থেকে তিনি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।
এসময়ে তাঁর সাথে উপজেলা বিএনপির যুগ্মআহ্বায়ক শরীফ মোহাম্মদ ইউনুছ, যুগ্মআহ্বায়ক মজিবুর রহমান দুলাল, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আ. আজিজ, উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক নাছির পাটওয়ারী, যুগ্মআহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান টিপু, ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান পাটওয়ারী, জেলা যুবদলের সদস্য ফজলুর রহমান প্রমুখ।

পরে তিনি ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবে এসে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, আমি ২০০২ সাল থেকে রাজনীতির সাথে জড়িত।  আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার আদর্শকে বুকে ধারণ করে বিএনপির চেয়ারপার্সন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানের নির্দেশিত পথেই চলি। দলের আর্দশের বাইরে কোন কিছু করিনি এবং করবোও না। বাইরে কে কী বললো সেদিকে আমি তাকাই না।

২০০৮ সালের নির্বাচনে এক ক্রান্তিকালে জনগণ আমাকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছিল। আমি চেষ্টা করেছি পতিত সরকারের সময়ে বিরোধী দলের এমপি থেকেও এই উপজেলাবাসীর জন্য কিছু করার জন্য। আমি যতটুকু বরাদ্দ পেয়েছি ততটুকু এনে তার কাজ করেছি।
ফলে পরপর দুইবার দুদক আমার বিরুদ্ধে তদন্ত করেও কিছু পায়নি। দলের নেতাকর্মীদের হামলা মামলায় পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। মোটকথা দলের বাইরে কখনোই যাইনি। তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দল আমাকে মুল্যায়িত করেছে।
আমি দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিয়ে চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ আসনটি উপহার দিতে সক্ষম হবো বলে বিশ্বাস করি। বিএনপির আপামোর জনগণের স্রোত আমাকে সেই কথাই বলে দেয়। বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ফরিদগঞ্জ আসনে বিএনপির বিজয় নিশ্চিত করবোই।
উপজেলা বিএনপির যুগ্মআহ্বায়ক ও চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহসভাপতি শরীফ মোহাম্মদ ইউনুছ বলেন, গত ১৭ বছর বিএনপির নেতাকর্মীসহ এদেশের কোটি কোটি মানুষ ভোট দিতে পারেনি। ফরিদগঞ্জ উপজেলাও এর ব্যতিক্রম নয়। বরং ভোটের অধিকার চাইতে গিয়ে ফরিদগঞ্জে বাবুল, আরিফ ও জাহাঙ্গীরের মতো যুবদলের কর্মীরা প্রাণ দিয়েছে। তাদের রক্তের উপর দিয়ে আমরা যারা বিএনপি করি তারা কখনো দলের আর্দশের বাইরে যেতে পারি না। তাই বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ স্থায়ী কমিটির নেতৃবৃন্দ চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ আসনে দলের প্রার্থী হিসেবে যাকে মনোনয়ন দিয়েছেন, আমরা সকলে মিলে তাঁকে নির্বাচিত করে তথা ধাষের শীষের বিজয় নিশ্চিত করে সংসদে পাঠাবো। এর কোন ব্যত্বয় ঘটবে না।
উপজেলা বিএনপির যুগ্মআহ্বায়ক সাবেক ভিপি মজিবুর রহমান দুলাল বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ আসনে প্রাথমিক মনোনয়ন যাকে দিয়েছেন, চুড়ান্ত মনোনয়নও তাকেই দিয়েছেন। তাই আমাদের বিএনপির তথা ধানেরশীষের প্রার্থী লায়ন হারুন। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমরা বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয় ধানের শীষের জন্য মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়বো।
মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন , উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ, উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক নাছির পাটওয়ারী, যুগ্মআহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান টিপু, ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান পাটওয়ারী, বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম, বালিথুবা পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন স্বপন, সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুর কবির কাজী, আব্দুল হান্নান, বিএনপি নেতা সেলিম পাটওয়ারী, সাবেক ভিপি আবুল খায়ের রুবেল, পৌর বিএনপির সাবেক  যুগ্ম সম্পাদক বিল্লাল কোম্পানী, সাবেক যুগ্মআহ্বায়ক এ এম টুটুল পাটওয়ারী, জেলা যুবদলের সদস্য ফজলুর রহমান , সোহেল খান,উপজেলা স্বেচ্ছাদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মানিক পাটওয়ারী, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক সেলিম মাহমুদ রাঢ়ী, সাবেক যুগ্মআহ্বায়ক হারুন পাঠান, পৌর যুবদলের সাবেক যুগ্মআহ্বায়ক পেয়ার আহাম্মদ, শাওন পাঠান প্রমুখ।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।